রেলে বদলি আতঙ্ক
বাংলাদেশ রেলওয়ের খালাসি এবং ওয়েম্যান কমিটির সদস্যরা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নব-নিয়োগ কমিটিতে স্থান পেতে চালাচ্ছেন জোর লবিং। আবার শিগগিরই রেলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হচ্ছে । দুর্নীতি ও কর্মকর্তাদের রদবদল মূলত এই দুটি বিষয় নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে শুরু হয়েছে বদলি আতঙ্ক।
এরই মধ্যে পূর্বাঞ্চলের ডেপুটি কমার্শিয়াল ম্যানেজার রুকুনুজ্জামানকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত সিওপিএস (চ.দা.) পদে বদলি করা হয়েছে। এর আগে ১৪ মে আরও ৪ কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়। এর মধ্যে রেলের যুগ্ম মহাপরিচালক (অপারেশন) মিহির কান্তি গুহকে পশ্চিমাঞ্চলের সিসিএম, ঢাকার ডিআরএম এসএম মুরাদ হোসেনকে যুগ্ম মহাপরিচালক (অপারেশন), পশ্চিমাঞ্চলের সিওপিএস সরদার শাহাদাত আলীকে পূর্বাঞ্চলের সিসিএম, পূর্বাঞ্চলের সিসিএম বেলাল উদ্দিনকে পশ্চিমের সিওপিএসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও বহুল আলোচিত ১ হাজার ৪৪১ খালাসিদের কর্মব্যবস্থাপক (কারখানা) ফকির মো. মহিউদ্দিনসহ পশ্চিমের ওয়েম্যান কমিটির সদস্যরা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে কৌশলে নব-নিয়োগ কমিটিতে স্থান পেতে জোর লবিং ও তদবির করছেন বলে জানা গেছে। সরেজমিন দেখা যায়, চিফ মেকানিক্যাল দফতরে (সিএমই) শত শত খালাসি যোগদান প্রার্থীর ভিড়। অনেকে বেশ কয়েকদফা এসেও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি।
সিএমই দফতরের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ডিলার) সৈয়দ তুহিন কৌশলে বাণিজ্য করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। অপরদিকে, সিপিও দফতরের আতিক, ইএম সেকশনের জলিল, ট্রাফিকের মোহাম্মদ আলী, ভুলুসহ কর্মচারীরা যোগদান প্রার্থীদের টাকা আদায় করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সিএমই দফতরে অপেক্ষমাণ খালাসি পদে নিয়োগ পাওয়া একজন বলেন, `চাকরি নিয়েছি টাকা দিয়ে, এখানেও টাকা ছাড়া কিছুই হবে না।
জেআর/এমএস