ছুটিতেও আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ পিএম, ২৩ মে ২০২০

ছুটির মধ্যেও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে সাতক্ষীরা, বাগেরহাটের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চারটি এলাকায় গতকাল থেকেই সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে। আমরা আগেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করেছিলাম। এখনও তারা এলাকার জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সাথে মিলে কাজ করছেন। নড়িয়াও একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। এখানেও কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন। ঈদের বন্ধেও আমরা সতর্ক থাকব।

শনিবার (২৩ মে) শরীয়তপুরের নড়িয়ার নদীতীর সংরক্ষণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানা গেছে।

সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে উপমন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৬ হাজার ৭০০ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে, যার প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার বাঁধ উপকূলাঞ্চলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরোনো বাঁধ আমরা সুপার ডাইকে পরিণত করছি। আমাদের ১৩৯টি পোল্ডারের মধ্যে ১০টি পোল্ডারে প্রায় তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প চলছে এবং আরও ছয়টি প্রকল্প একনেকে যাবে।

এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হেকিম, খুলনা শিপইয়ার্ডের প্রতিনিধি এবং বেঙ্গল গ্রুপের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিক সংকটের কথা উল্লেখ করে উপমন্ত্রী শামীম বলেন, করোনা সংকটের মধ্যেও আমরা এপ্রিলের ১৯ তারিখ থেকে প্রায় ১৫০০-১৭০০ শ্রমিক দিয়ে নড়িয়ায় প্রকল্প কার্যক্রম চালু রেখেছি। বন্যা-বর্ষার হাত থেকে মানুষের নিরাপত্তার জন্য নড়িয়ার মতোই সারাদেশে করোনা সংকটের মধ্যেও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

পরে সাবেক এই ছাত্রনেতা নড়িয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারের পক্ষে ২০টি মসজিদ-কবরস্থানে প্রায় ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা বিতরণ করেন এবং নড়িয়া শহীদ মিনার চত্বরে উপজেলার প্রায় চার হাজারের বেশি মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

এমইউএইচ/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]