পল্টন থানায় পুলিশ হেফাজতে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২৯ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

রাজধানীর পল্টন থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাসুদ রানা (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্বজনদের দাবি, গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর থেকে ধরে এনে নির্যাতন করে মাসুদকে হত্যা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার চড়বাগুটিয়া গ্রামের মৃত জলিল ব্যাপারীর ছেলে মাসুদ রানা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার যাত্রামুড়া এলাকার ফয়সাল রোলিং মিলে লোহার প্লেট কাটার কাজ করতেন। স্ত্রী রেহানা বেগম এবং দুই কন্যা মারিয়া (১২) ও মুনতা (১৮ মাস) পরিবারের সঙ্গে থাকতেন কাঁচপুর সংলগ্ন পশ্চিম তাহাপুর এলাকায়।

তার স্ত্রী রেহানা বেগম বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে মাসুদকে কাঁচপুরের সিনহা টেক্সটাইলের সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। পরে আমরা জানতে পারি, তাকে ধরে পল্টন থানায় নেয়া হয়েছে।’

‘আমার সঙ্গে এক পুলিশ সদস্যের মোবাইলে কথা হয়। আমি আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তারা সে সুযোগ আমাকে দেয়নি। পরে রাত ১১টায় খবর পাই স্বামী অসুস্থ, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে’- বলেন রেহানা।

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল দাবি করেন, ‘মাসুদ রানা গুলিস্তান এলাকায় রাস্তার ওপর অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইতোমধ্যেই মাসুদ রানার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা.প্রদীপ কুমার বিশ্বাস।

তিনি বলেন, মাসুদ রানার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আমরা তার ভিসেরা ও হার্ড সংগ্রহ করেছি। সেটা পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। রিপোর্টটি হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এফআর/এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]