চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবি
চাকরিতে অবিলম্বে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বচ্ছ চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন এবং প্রতি বছর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ের নামে হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে।
রোববার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রতিবছর এ যাচাই-বাছাইয়ের নামে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে যা কখনোই কাম্য নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান আগামী ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের আগেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বচ্ছ চূড়ান্ত তালিকা দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। আমরা কোনো অমুক্তিযোদ্ধাদের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় দেখতে চাই না।
তারা বলেন, অতীতে যেসব অমুক্তিযোদ্ধা অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে দেশে আজ পর্যন্ত কোনো হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়নি।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানি অপশক্তি জামায়াত-বিএনপির ষড়যন্ত্রে ২০১৮ সালে চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের আন্দোলন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দেয়া ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে হবে। এছাড়া সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হত্যা, নির্যাতন ও অবমাননা বন্ধ করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এওয়াইএইচ/এমআরআর/এএসএম