সারাদেশ থেকে নাপা সিরাপের নির্দিষ্ট ব্যাচের নমুনা পাঠানোর নির্দেশ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১২:১৫ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে নাপা সিরাপ খেয়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সারাদেশ থেকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের (প্যারাসিটামল ১২০ মি. গ্রাম/৫ মি. গ্রাম, ব্যাচ নম্বার ৩২১১৩১২১, উৎপাদন তারিখ ১২/২০২১, মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ ১১/২০২৩) উৎপাদিত নাপা সিরাপের নমুনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কর্মরত সব কর্মকর্তাকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত পাইকারি ও খুচরা ফার্মেসি পরিদর্শন করে এই নির্দিষ্ট ব্যাচের নাপা সিরাপের নমুনা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের জন্য কেন্দ্রীয় ঔষধ পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ মার্চ) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ স্বাক্ষরিত এক জরুরি অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আইয়ুব হোসেন বলেন, নাপা সিরাপ খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে অধিদপ্তর। সারাদেশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আনার পাশাপাশি দুজন পরিচালকের নেতৃত্বে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি কমিটি আশুগঞ্জের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবে। আরেকটি কমিটি গাজীপুরে বেক্সিমকোর ওষুধ কারখানা পরিদর্শন করে নির্দিষ্ট ব্যাচের উৎপাদিত ওষুধ কী অবস্থায় রয়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) রাতে আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে নাপা সিরাপ খেয়ে ইয়াছিন খান (৭) ও মোরসালিন খান (৫) নামে দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তোলেন স্বজনরা।

দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্যারাসিটামল ‘নাপা সিরাপ’ বিক্রি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে জেলা ক্যামিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি।

এমইউ/ইএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।