কেরানীগঞ্জে চুলার আগুনে দগ্ধ ৬ জনের মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৬ এএম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
ফাইল ছবি

কেরানীগঞ্জের জিনজিরা মান্দাইল এলাকার একটি বাসায় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনায় মোছা. সোনিয়া আক্তার (২৫) নামে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে।

এক ছেলে এক মেয়ের জননী সোনিয়া কেরানীগঞ্জের নান্দাইল এলাকা বাসিন্দা। তার স্বামী ওসমান হাজী গাড়িচালক।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ৪টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. আইয়ুব বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কেরানীগঞ্জের আগুনের ঘটনায় মোছা. সোনিয়া আক্তার নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ৩০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এছাড়া চিকিৎসাধীন বাকি একজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

নিহতের ছোট বোনজামাই মো. আমিন জাগো নিউজকে জানান, কেরানীগঞ্জের জিনজিরা নান্দাইল এলাকার একটি বাসায় গ্যাসের চুলা বিস্ফোরণে ছয়জন দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দগ্ধ সোনিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মান্দাইল এলাকার ওই বাসায় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকে আগুনে একই পরিবারের শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হন। পরে তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রথমে দগ্ধ শিশু মারিয়ামের (৮) মৃত্যু হয়।

কাজী আল-আমিন/এমএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।