পথশিশুদের উল্লাসে মেতেছে শাহাবুদ্দিন আহমদ পার্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০২২
জুম বাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের উৎসবে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে পথশিশুরা

কেউ গাইছেন গান, কেউ আবার পাঠ করছেন কবিতা। অন্যদিকে ছোট ছোট দলে দৌড়ঝাঁপ ও খেলাধুলায় মেতেছে শিশুদের কয়েকটি দল। এভাবেই শিশুদের আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ পার্ক।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পার্কের মুক্তমঞ্চে মোটু-পাতলু কার্টুনের দুই প্রধান চরিত্রের সাজে উপস্থিত হন শিল্পীরা। মোটু-পাতলু আসার পর শিশুরা এক দৌড়ে চলে আসে মুক্তমঞ্চে। সেখানে বিভিন্ন গানের তালে তালে নাচে মেতে ওঠে শিশুরা।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে 'জুম বাংলাদেশ পথশিশু উৎসবে' পথশিশুদের কলরব ও আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে পথশিশুরা। জুম বাংলা ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজ।

Street-Child-2

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জুম বাংলার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন পরিচালিত স্কুলগুলো থেকে সকাল থেকেই পথশিশুদের নিয়ে আসা হয় শাহাবুদ্দিন পার্কে। নাশতার পর্ব শেষে মুক্তমঞ্চে শুরু হয় কবিতা পাঠ ও একক সংগীত পরিবেশন। বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মূলত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পরই শিশুরা আনন্দে মেতে ওঠে।

জুম বাংলার শিক্ষা প্রজেক্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত উল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, বিশ্ব পথশিশু দিবস উপলক্ষে আমাদের স্কুলে পড়া পথশিশুদের নিয়েই আজকের দিনটি নানাভাবে উদযাপন করছি। পথশিশুরা সাধারণত খেলাধুলা বা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় না। আজ আমরা তাদের সে সুযোগটাই দিতে চাই। তারা যেন প্রাণভরে খেলাধুলা করতে পারে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, তারা আজ দিনভর বিভিন্ন খেলাধুলা করবে, সিসিমপুরের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানেও তারা খেলাধুলা করবে, খেলার ছলে অনেককিছু শিখবে। আমাদের মূল অনুষ্ঠানটি আসলে বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে। সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিশুদের নিয়ে নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন চলবে।

এমএমএ/এসএএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।