জলবায়ু অভিযোজন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৪ এএম, ১৩ মার্চ ২০২৩

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) বাস্তবায়নে ২৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এর একটি বড় অংশ আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

তিনি আশা করেন, যুক্তরাজ্য সরকার ন্যাপ-এর চিহ্নিত পদক্ষেপগুলো অর্জনে সহায়তা করবে।

রোববার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত অ্যাডাপটেশন অ্যাকশন ইন বাংলাদেশ শীর্ষক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে সামাজিক, নৈতিক ও অর্থনৈতিক আবশ্যকতা রয়েছে। বাংলাদেশ উচ্চাভিলাষী অভিযোজন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ন্যাশনাল অ্যাডাপ্টেশন প্ল্যান (২০২৩-২০৫০) বাংলাদেশে মাঝারি এবং দীর্ঘমেয়াদে অভিযোজন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য একটি রোডম্যাপ এবং ফ্রেমওয়ার্ক। এটি কার্যকর অভিযোজন কৌশলের মাধ্যমে একটি জলবায়ু-সহিষ্ণু জাতি গঠন করতে সহায়তা করছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্য আর ব্রিটেন কিন্তু এক নয় 

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ এবং উন্নয়ন অফিস বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রেভেলিয়ান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার ড. রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক শাখার মহাপরিচালক ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী গোলটেবিল বৈঠকটি পরিচালনা করেন।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

এর আগে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ-দ্য ইউনাইটেড কিংডম অ্যাকর্ড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এর একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

আইএইচআর/এমএইচআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।