গেজেট জারি: ২০৩০ সাল পর্যন্ত সংরক্ষিত বনের গাছ কাটা যাবে না

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ২০ মার্চ ২০২৩
ফাইল ছবি

দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত সংরক্ষিত ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল থেকে কোনো গাছ কাটা যাবে না। গত বছর মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের পর রোববার (১৯ মার্চ) এ বিষয়ে গেজেট জারি করেছে সরকার।

গেজেটে বলা হয়, দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশে সংরক্ষিত ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটা ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ করা হলো। এ সময়ে বনাঞ্চলের কোর-জোন রক্ষার্থে বাফার জোন এলাকায় স্থানীয় দরিদ্র জনগণের সম্পৃক্ততায় পরিচালিত অংশীদারত্বভিত্তিক সামাজিক বনায়ন প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

এর আগে গত বছরের ৩১ অক্টোবর দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সংরক্ষিত ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বলবৎ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

আরও পড়ুন: বাঁধের নামে কাটা পড়লো টাঙ্গুয়ার হাওরের ৫০ হিজল গাছ

বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, ২০৩০ সাল পর্যন্ত রিজার্ভ ফরেস্টের গাছ (সংরক্ষিত বনের গাছ) কাটা যাবে না। তবে এসময়ে সোশ্যাল ফরেস্টের গাছ কাটা যাবে। সোশ্যাল ফরেস্টের মধ্যে কারও ব্যক্তিগত, রাস্তার পাশের বনায়ন বা ডিপ ফরেস্টের আগে একটা বাফার জোন থাকে। সেখানে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে জয়েন্ট বনায়ন হয়।

যদি কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কাটে তাহলে বন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, এ বিষয়ে গেজেট নোটিফিকেশন হবে।

আরও পড়ুন: বাড়ির গাছ কাটতেও লাগবে অনুমতি

সারাদেশে কী পরিমাণ সংরক্ষিত ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল রয়েছে- জানতে চাইলে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, সারাদেশে প্রায় ৩৩ লাখ একর সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। সংরক্ষিত বনের একটি অংশ প্রাকৃতিক বন। তবে সংরক্ষিত বনের বাইরেও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল আছে। সংরক্ষিত বনের বাইরে প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের পরিমাণ তিন লাখ একরের মতো।

আরএমএম/এমকেআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।