খাদ্য অধিদপ্তরে নিয়োগে অনিয়ম: বরখাস্ত হলেন যুগ্মসচিব ইফতেখার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৩ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
ফাইল ছবি

খাদ্য পরিদর্শক পদে লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত যুগ্মসচিব ইফতেখার আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মূলত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করায় নিয়ম অনুযায়ী তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ইফতেখার আহমেদকে বরখাস্ত করে বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তিনি খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় এ অভিযোগ ওঠে। এতদিন তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ছিলেন।

তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশে বলা হয়, ইফতেখার আহমেদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানার ২০১৫ সালের ৭ অক্টোবরের ৭ নম্বর মামলায় শাহবাগ থানার অভিযোগপত্র (নম্বর-৩৭/১(৩৩৯) আদালতে দাখিল করা হয়। গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর এটি দাখিল করা হয়। গত ২৪ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

তাই 'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮' এর ধারা ৩৯ (২) অনুযায়ী অভিযোগপত্র গ্রহণ হওয়ার দিন (২৪ জানুয়ারি) থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ (ভরণ-পোষণ) ভাতা প্রাপ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

২০১০ সালে খাদ্য পরিদর্শক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দেয় খাদ্য অধিদপ্তর। তাতে পৌনে চার লাখ আবেদন জমা পড়ে। পরের বছর ২০১১ সালে লিখিত পরীক্ষা হয়। তাতে উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ২৩০ জন। এরপর ২০১৩ সালে মৌখিক পরীক্ষার কার্যক্রম শেষে চূড়ান্ত ফলাফলে ৩২৮ জনকে খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে অনুসন্ধান শেষে মামলা করে দুদক।

গত বছরের অক্টোবরে নিয়োগ জালিয়াতির মামলায় খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক তিন কর্মকর্তা ও ৪৩ খাদ্য পরিদর্শকসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করে দুদক। ওই নিয়োগ কমিটিতে সদস্যসচিব ছিলেন ইফতেখার আহমেদ।

আরএমএম/এমএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।