টাকা দিলে সব পক্ষের হয়েই মারামারি করে ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপ
টাকার বিনিময়ে যে কোনো পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করতেন রাজধানীর বনানী এলাকায় কিশোর গ্যাং ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্যরা। এছাড়া প্রতিশোধ ও আধিপত্য বিস্তার করতে নানা অপরাধমূলক কাজ করতেন তারা। তাদের গ্রেফতারের পর র্যাবের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রোববার (১৬ জুলাই) সকালে এ কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় তিন সদস্যকে রাজধানীর বনানীর বেলতলা আদর্শনগর এলাকা থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি পাইপ, তিনটি চাকু ও একটি পাইপ সংযুক্ত চেন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতাররা হলো- মো. আব্দুর রহিম (১৮), মো. রনি মিয়া (১৭), ও সুজন রায় (১৭)।
বিকেলে উত্তরায় র্যাব-১ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোস্তাক আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সকালে র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের অন্যতম সক্রিয় সদস্য ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে। গ্রুপটির প্রধান বনানীর কড়াইল বস্তির মো. জয়। কিছুদিন আগে টিঅ্যান্ডটি কলোনির কিশোর গ্যাং ‘জুয়েল’ গ্রুপের সঙ্গে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কড়াইল বস্তির কিশোর গ্যাং ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের মারামারি হয়। এতে গ্রেফতার আব্দুর রহিম ও পলাতক আসামি রতনসহ ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের কয়েকজন সদস্য আহত হন।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং নিজেদের অবস্থান জানান দিতেই ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের ৭-৮ জন সদস্য বেলতলা আদর্শনগর এলাকায় জড়ো হন। ‘পিচ্চি জয়’ গ্রুপের আনুমানিক সদস্য ২০-২৫ জন। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন পক্ষের হয়ে মারামারি, দখলবাজি, পিকেটিং, ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত ছিলেন।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এ র্যাব কর্মকর্তা।
আরএসএম/ইএ/জিকেএস