সততার আলোকবর্তিকা শেখ হাসিনা

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:০৯ এএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭

বহমান নদীর মতো বয়ে চলেছে সময়। শতাব্দী থেকে শতাব্দী, যুগ হতে যুগান্তর। সময়ের সাথে চলছি আমরা। সাথে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল বিস্তৃত লাল সবুজে মোড়ানো ভূখণ্ড। সময়ের সাথে বয়ে বয়ে চলা দেশটি শাসন করতে এসেছে গিয়েছে কত শাসক? পরিবর্তন হয়েছে কত সরকার? ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল এমনই অন্ধকারাচ্ছন্ন। খুনি মোশতাক-জেনারেল জিয়া-জেনারেল এরশাদ-খালেদা জিয়া মিলে বাঙালির অস্তিত্বকে মুছে ফেলার সকল রকমের অপচেষ্টা চালিয়েছিল। এই ঘৃণ্য কাজে পিছিয়ে ছিল না ক্ষমতা লোভী, সুবিধাভোগী রাজনীতিবিদ আর কাউয়া নামের সৃষ্টি হওয়া সুশীল সমাজ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দমনপীড়ন-শোষণ নির্যাতনের মাধ্যমে বাঙালির অস্তিত্ব বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল ৭১ এর পরাজিত শক্তিরা। ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতকরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষগুলোকে গুম ও খুনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সাম্প্রদায়িকতার ভিত রচনা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর গর্বিত বাঙালিকে বিশ্বের বুকে মাথা নিচু করেছিল।

দেশের সমস্যা আদৌ সমাধান হবে কি না? পিছিয়ে পড়া দেশ এগিয়ে যাবে কি না? সেই বিশ্বাস আমরা হারিয়ে ফেলেছিলাম। কারণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আমরা হত্যা করে ফেলেছিলাম। জাতির পিতাকে হারিয়ে বর্ধমান জনসংখ্যার ভারে যখন জাতি ন্যুব্জ, অশিক্ষা, অন্ধকার, বেকারত্ব আর অনাহারে জর্জরিত। হতাশা তখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। এই অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর উপর নিজের সুযোগ বুঝে অবৈধ শাসন চালিয়েছে অনেক অবৈধ সরকার। এতোটুকু ভালবাসা তো দূরের কথা, জাতির পিতার সোনার বাংলাকে শুধুই শাসন করেছে শাসক হিসেবে। কিন্তু বাবার স্বপ্ন যে পূরণ করতেই হবে? পরিবারের সবাইকে হারিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার একমাত্র অগ্রপথিক হয়ে উঠলেন শেখ হাসিনা। এই কঠিন কাজটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন নিঃস্বার্থ সত্যিকারের দেশপ্রেম। যা অন্য কারো মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় না, এমনকি অনেক আওয়ামী লীগ নেতাদের মাঝেও খুঁজে পাওয়া যায় না। শেখ হাসিনাই একমাত্র এ দেশের নির্যাতিত নিপীড়িত প্রান্তিক আপামর গণ মানুষের সুখ-দুঃখের মমতাময়ী সাথী। বাবা মায়ের দেয়া সততা নিষ্ঠাকে পুঁজি করে সমস্ত লোভ-লালসা ত্যাগ করে জীবন-মৃত্যুর হুমকি থাকা সত্ত্বেও দেশপ্রেমকে আলিঙ্গন করে এগিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্ন পূরণে।

শেখ হাসিনার দ্বারাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়েছে অন্য কারও দ্বারা সম্ভব হতো না। ৪৫ বছর আগের পাপীরা ভেবে ছিল তাদের পাপের কথা সবাই ভুলে গেছে? সততার শক্তি এমনই, এই শক্তি দিয়ে ৪৫ বছর আগের পুরনো পাপী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করেছে। পিতা হত্যার বিচার সম্পন্ন করছে।

খালেদা জিয়ার শাসন আমলে নিজে, ছেলে এবং দলীয় নেতাদের দিয়ে দুর্নীতি করেছিল প্রায় সকল খাতে। যার ফলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বার বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দেশকে পিছিয়ে দিয়েছিল বহুগুণে। জামায়াত বিএনপির আমলে এমন কোন অপকর্ম নেই যা তারা করেনি। একটি দেশকে সামগ্রিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজন দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি ও সৎ নেতৃত্ব। সততা এবং আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। নিজে সৎ না থাকলে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায় না। আর মানুষের ভালোবাসা ছাড়া ক্ষমতায় আসা যায় না। সৎসাহস ও নিজের আত্মবিশ্বাস থাকলে যে কোনো কঠিন কাজ যে সহজে করা যায় তার দৃষ্টান্ত শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার সততা আর নিষ্ঠার মন্ত্রে দুর্বার গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তার মন্ত্রের টানে এগিয়ে যেতে বাধ্য বাংলাদেশ। এগিয়ে যাবেই। যেখানে সারাবিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় কবলিত, সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা থাকা সত্ত্বেও দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রেখেছেন। সততাকে সঙ্গী করে দেশি, বিদেশি চক্র আর বিশ্ব ব্যাংকের ষড়যন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প কারো সাহায্য ছাড়াই বাস্তবায়িত করছেন। আদর্শ ও বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের কাছে আলোকবর্তিকা হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছেন।

৭১এর পরাজিত শক্তি আর তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম খালেদা জিয়া আর বিএনপির নানারকম ষড়যন্ত্র ও আন্তর্জাতিক কূটকৌশল মোকাবিলা করে দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর মতোই মানুষকে আশাবাদী করে জাগিয়ে তোলেন, পিতার সবগুলো গুণই শেখ হাসিনার মধ্যে বিরাজমান। এভাবেই দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবেসে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে।

কেউ কখনো এমন করে ভাবেনি দুরন্ত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া জাতিকে নিয়ে যেমনটি ভেবেছেন জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনা। বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার প্রত্যয় নিয়ে কেউ কখনো স্বপ্ন দেখায় নি আমাদের যেমনটি দেখিয়েছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর পর বাঙালি জাতি এমন কাউকে পাশে পায়নি যেমনটি পেয়েছে মাতৃরূপী শেখ হাসিনাকে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনা। হাতে নিয়েছেন নতুন নতুন পরিকল্পনা। এইসব পরিকল্পনার মধ্যে দিয়েই বাস্তবায়ন করতে চলেছেন পিতার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতেই ঘোষণা করেছেন ‘রূপকল্প ২০২১’। যার প্রতিপাদ্য বিষয় ডিজিটাল বাংলাদেশ।

ডিজিটাল বাংলাদেশের দরুন পুরো বিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছেন। তথাকথিত নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে মানুষের জীবনযাত্রাকে করে দিয়েছেন সহজ থেকে সহজতর। ডাক পিয়ন রানার চিঠির বোঝা কাঁধে নিয়ে ঝুমঝুম ছুটে চলার গল্প এখন শুধুই চাঁদের বুড়ির গল্প। গতানুগতিক ঝাঁড় ফুঁকের গ্যাঁড়াকল থেকে বের করে মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তরেই পৌঁছে দিয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া। দৈনন্দিন জীবনে কাজকর্মকে সহজ এবং গতিশীল করে দিয়েছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা।

দুর্নীতিকে না বলে তথ্যপ্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে শুধু শহরে নয়, গ্রামের এক্কেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত, আধা শিক্ষিত বেকার তরুণদের সনাতন পদ্ধতির অলস জীবন থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশের গতিশীল জীবনে প্রবেশ করিয়েছেন। দেশ যেন সততার দক্ষ হাত ধরেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে তথ্যপ্রযুক্তি দিয়ে কৃষি, অর্থনীতি, নারী শিক্ষার প্রসার, রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট, ফ্লাইওভার নির্মাণ, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলের মতো বড় বড় প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করছে। তথ্যপ্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, আইনি সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আইনের প্রয়োগসহ সকল সরকারি সেবা সবপর্যায়ের জনগণের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই পাহাড়ে শান্তিচুক্তি, ভারতের সাথে ছিটমহল বিনিময়, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্র বিজয় সম্ভব হয়েছে। একমাত্র শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে কয়েক যুগ ধরে জিইয়ে থাকা রোহিঙ্গা সমস্যা প্রায় সমাধান পথে। সব বাধা পেরিয়ে দেশ আজ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে। শেখ হাসিনা দেশের জন্য বয়ে এনেছেন বিভিন্ন সম্মানজনক স্বীকৃতি। বাংলার মানুষকে ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য যে মানুষটি দেশে ফিরে এসেছিলেন। আজ তিনি সফল।

দুর্নীতির করাল গ্রাসের গ্লানির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত শেখ হাসিনা। এ জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১২২ ভাগ বেতন বৃদ্ধি করেছে। সকল ক্ষেত্রে ই-সেবা স্থাপন করেছেন। আজ দুর্নীতি, অনাহার, অর্ধাহার, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অনুন্নত যোগাযোগ খাতসহ অভাব আর অপ্রতুলতার মতো পীড়াদায়ক শব্দগুলো প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানচিত্র থেকে। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বেই ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। শান্তির অগ্রদূত শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জন্য নিজের প্রাণকে তুচ্ছ করতে পারেন নির্দ্বিধায়।

সম্প্রতি বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিপলস অ্যান্ড পলিটিক্স’ সৎ নেতার সন্ধান করেছে। সরকার/রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে তিনি কি তাঁর রাষ্ট্রের বাইরে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করেছে? ক্ষমতায় আসীন হবার পর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ কতটুকু বেড়েছে? গোপন সম্পদ গড়েছেন কিনা? সরকার/রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ আছে কিনা? দেশের জনগণ তাঁর সম্পর্কে কী ভাবেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের দ্বারা ১৭৩ টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের সততার মান বিচার করেছে। ১৭৩ জন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে ১০০ নম্বর থেকে ৯০ পেয়ে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও সৎ সরকার প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। ৮৭ নম্বর পেয়ে তৃতীয় পরিচ্ছন্ন ও সৎ সরকার প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংস্থাটি গবেষণায় দেখেছে, শেখ হাসিনার বাংলাদেশের বাইরে কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। বেতন ছাড়া শেখ হাসিনার সম্পদের স্থিতিতে কোনো সংযুক্তি নেই। শেখ হাসিনার কোনো গোপন সম্পদ নেই। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের ৭৮ ভাগ মানুষ মনে করেন সৎ এবং ব্যক্তিগত লোভ লালসার উর্ধ্বে। তারা নিশ্চিত হয়েছেন শেখ হাসিনাকে দুর্নীতি স্পর্শ করেনি, উল্লেখ করার মতো কোনো সম্পদও নেই।

ক্ষমতা যে ভোগের বস্তু নয়, এটা জনগণের কল্যাণের জন্য তা নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা। কর্তব্য পালনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করেছেন তিনি। তার হাত ধরেই মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়ে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। দেশকে নিয়েছেন সম্মানজনক অবস্থানে। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠিত করে গণতন্ত্রকে করেছে সুদৃঢ়। সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা তার মেধা, সাহস ও সততায় বাঙালি জাতির কাণ্ডারিতে পরিণত হয়েছেন। তিনিই বাঙালি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। তিনি বটগাছের মতো ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন এদেশের মানুষকে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে যেন বাংলাদেশ নামের ভূ-খণ্ডটি আমরা পেতাম না, তেমনি শেখ হাসিনা না থাকলে আজকের বাংলাদেশ আমরা পেতাম না।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, গণিত বিভাগ। সদস্য সচিব, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও পরিচালক, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

এইচআর/এমএস

‘শেখ হাসিনার কোনো গোপন সম্পদ নেই। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের ৭৮ ভাগ মানুষ মনে করেন সৎ এবং ব্যক্তিগত লোভ লালসার উর্ধ্বে। তারা নিশ্চিত হয়েছেন শেখ হাসিনাকে দুর্নীতি স্পর্শ করেনি, উল্লেখ করার মতো কোনো সম্পদও নেই।’