জীবন যেন দিই আহুতি মুক্তি-আশে

সুমনা খান
সুমনা খান সুমনা খান
প্রকাশিত: ০৩:০৯ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ট্রেন চলে যাবার শব্দটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে শেষ বিকেলের কুয়াশার সাথে। সাথে মিলিয়ে যাচ্ছি আমি। বহু আগে থেকে মনে মনে হারিয়ে যাওয়া আমি যেন নতুন করে হারাচ্ছি কুয়াশায়।

কুয়াশা শেষের পথে কি আছে আমার জানা নেই,হয়ত ঘন কোন জঙ্গল অথবা কোন শান্ত নদী।
বিলীন হওয়াটাই যেন আমার একান্ত ইচ্ছা। আমার সাথী শুধুই আমি।

এমন কুয়াশায় হারানো মানুষ কি কুয়াশা হয়ে যায়? রোদে হারালে রোদ? জলে হারালে জল? যদি হত! তবে আমি কি হতাম হারিয়ে? তাও জানিনা।

কেন যেন ক্লান্ত হলেই আমরা হারাতে চাই। কেউ কউ দুঃখ পেয়ে ক্লান্ত, কেউ কেউ ক্লান্ত একঘেঁয়ে সুখী জীবনে। আমি দেখেছি।

হারালেই মুক্তি!

মানুষ তাই তার প্রিয়জনদের সমুদ্র দেখায়, পাহাড় দেখায়, আকাশ দেখায়, সবুজ দেখায়। মুক্তির পথ দেখায়!

বাবা-মা তার সন্তান কে বলে-এটা আকাশ, এটাই নদী।
মা বাবা তো জানে তার এই সন্তান ও একদিন ক্লান্ত হবে, তারও ইচ্ছা করবে একদিন সব ফেলে রেখে একটু হারাই। হারানোর ঠিকানা তো প্রকৃতি,আর কোথায় বা এমন হারানো যায়? চারদিকে কড়া নজর,অসুস্থ নজরদারি।

এই জীবনে কতবার ট্রেনের চলে যাওয়া দেখেছি মনে নেই তবে মনে আছে তার থেকে অনেক বেশি হারিয়েছি চোখে না দেখা মনের ট্রেনের কু ঝিক ঝিক শব্দে।
আমার হারানো সুর!

সুর শেষ হয়, ফিরতে হয় ঘড়ির কাঁটা ধরে। যেখানে হাজার মিথ্যায় বসবাস। মোহে হারায় মানুষ। প্রতিনিয়ত অভিনয়ের জীবন, কি এক কীটের জীবন।
তাও কারো হাসি, কারো চোখ পবিত্র ভাবি।
কিছু পিছুটান, প্রিয় মুখ, চিরচেনা সুখ দুখ।
বেচেঁ থাকি!

আবার ও ক্লান্ত হই, মুক্তি খুঁজি ধুলায় ধুলায়.. ঘাসে ঘাসে।

এইচআর/জেআইএম

সুর শেষ হয়, ফিরতে হয় ঘড়ির কাঁটা ধরে। যেখানে হাজার মিথ্যায় বসবাস। মোহে হারায় মানুষ। প্রতিনিয়ত অভিনয়ের জীবন, কি এক কীটের জীবন।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]