এখন সময় রুখে দাঁড়ানোর

ড. হারুন রশীদ
ড. হারুন রশীদ ড. হারুন রশীদ , সহকারী সম্পাদক (জাগো নিউজ)
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ এএম, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

…স্বাধীনতা তুমি
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।
স্বাধীনতা তুমি
রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার।
স্বাধীনতা তুমি
মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশী।
স্বাধীনতা তুমি
অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।

-শামসুর রাহমান

মানুষের জীবনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষি বিষয় হচ্ছে স্বাধীনতা। স্বাধীনতা হীনতায় কেউ বাঁচতে চায় না। দাসত্বের শৃঙ্খল পরতে চায় না কেউ। কিন্তু অনেকের জীবনে মুক্ত বিহঙ্গের মতো সেই স্বাধীনতার স্বাদ অলীক স্বপ্ন হয়েই থেকে যায়। কোনো কোনো জাতি দশকের পর দশক স্বাধীনতার জন্য রক্ত ঝরিয়েও পাচ্ছে না স্বাধীন ভূখণ্ড, মানচিত্র, পতাকা। অনেক জাতি আবার নামেমাত্র স্বাধীন। ঔপনিবেশিকতার বেড়াজালে আটকা। একবিংশ শতাব্দীতে সভ্যতা-প্রযুক্তি-সংস্কৃতির চরম উৎকর্ষের যুগেও চলছে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। এখনো জ্বলছে ফিলিস্তিন। ইয়েমেনে বোমার আঘাতে ঘুম ভাঙে ছোট্ট শিশুর। সেদিক থেকে ভাগ্যবান জাতি হচ্ছে বাঙালি। যারা নিজের ভাষার নামে একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছে। পেয়েছে স্বতন্ত্র মানচিত্র। লাল-সবুজের পতাকা পত পত করে ওড়ে জানান দেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সগৌরব অস্তিত্ব।

বিজয়ের সেই গৌরবান্বিত মাস ডিসেম্বর শুরু হলো। বাঙালির জীবনে এক অনন্য গৌরবের ডিসেম্বরেই বাঙালি জাতি পায় তার লালিত স্বপ্নের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক এক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের সব শ্রেণির মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিযুদ্ধে। ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম আর ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের পর আমরা লাভ করি স্বাধীনতা। সামরিক শক্তির দিক থেকে এক অসম যুদ্ধ হলেও দেশমাতৃকার জন্য বাঙালির সর্বোচ্চ ত্যাগ আমাদের মুক্তির সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করে। পাকবাহিনী এদেশের অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ডিসেম্বরের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পিছু হটতে থাকে। একে একে মুক্তাঞ্চল প্রতিষ্ঠা হয়। এভাবে ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত ক্ষণ। হানাদারমুক্ত হয় দেশ। পাকবাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পর অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের জন্ম থেকেই শুরু হয় নানা ষড়যন্ত্র। যারা এদেশের জন্ম হোক এটা চায়নি তারা নানাভাবে তাদের হীন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে, যা শুরু হয়েছিল চূড়ান্ত বিজয় লাভের মাত্র দুদিন আগে লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবী হত্যার মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য জাতিকে মেধাশূন্য করার এ নীলনকশা বাস্তবায়ন করে এদেশের পাকহানাদার বাহিনীর দোসর আলবদর, আলশামস বাহিনী। বস্তুত পক্ষে এ ষড়যন্ত্র স্বাধীনতা লাভের পরও থেমে থাকেনি।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শুধু তাই নয়, একই বছর ৩ নভেম্বর জেলখানায় নির্মম নিষ্ঠুরতায় হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরপর সামরিক শাসন চেপে বসে। অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীরা স্বাধীনতার ইতিহাস ঘুরিয়ে দেয়। দেশকে নিয়ে যায় পেছনের দিকে। কিন্তু এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেয়নি। একাত্তরের ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে এখন বাংলাদেশে। চিহ্নিত শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়েছে এরই মধ্যে। অন্যদেরও বিচার চলছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদেরও বিচার হয়েছে। (যদিও এখনো বেশ কয়েকজন পলাতক।) এর মধ্য দিয়ে জাতি অভিশাপমুক্ত হচ্ছে। সমাপ্তি ঘটছে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের।

নানা প্রতিকূলতার পরও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে কাঙ্ক্ষি লক্ষ্যে। কোভিট-১৯ মহামারির সময়ও বাড়ছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এখন ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, যা সব রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে। মাথাপিছু আয় বাড়ছে। কমছে মাতৃমৃত্যু এবং শিশুমৃত্যু। গড় আয়ু বেড়েছে। রোধ করা সম্ভব হচ্ছে বাল্যবিয়ে। নারীরা সমাজে পুরুষের সমান্তরালে এগিয়ে যাচ্ছেন। সরকারপ্রধান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী। এছাড়া মাঠ প্রশাসনেও নারীরা গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। নারী জাগরণের অন্যতম রূপকার হচ্ছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উন্নয়নের রোল মডেল এখন বাংলাদেশ। প্রযুক্তিখাতে অভাবনীয় উন্নতি হচ্ছে। কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে হাইটেক পার্ক। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করেছে দেশ। উড়াল সেতু যোগাযোগের ক্ষেত্রে এনেছে নতুন মাত্রা। মেট্রোরেলের বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখলেই বোঝা যায় রেল যোগাযোগে কতটা উন্নতি হচ্ছে।

সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে জয়ী হতে চলেছে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। পদ্মা সেতুর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ১০ ও ১১ নম্বর পিয়ারের (খুঁটি) ওপর বসানো হয়েছে ৩৯তম স্প্যান (২-ডি)। ফলে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ৫ দশমিক ৮৫০ কিলোমিটার। সম্পূর্ণ সেতু দৃশ্যমান হতে আর মাত্র দুটি স্প্যান বসানো বাকি রইল। এই ডিসেম্বরের মধ্যেই বাকি দুটি স্প্যান বসানো হবে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ চুক্তি বাতিল করেছিল। একই পথ অনুসরণ করেছিল অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরাও। পদ্মা সেতু প্রকল্পে সম্ভাব্য দুর্নীতির পরিপ্রেক্ষিতে মামলা হয় কানাডার একটি আদালতেও। ইতোমধ্যে সে মামলার রায়ে আদালত একে নিছকই ‘অনুমান ও গুজব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এবং কানাডার সেই কোম্পানির অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তাকে অব্যাহতিও দেন। দুর্নীতির অভিযোগটি কেবল কিছু ব্যক্তি, সরকারের বিরুদ্ধে ছিল না। ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও।

এ কারণে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয় সরকারকে। তখনকার যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরে যেতে হয়। একজন সচিব ও একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং তাদের কিছুদিন কারাবাসও করতে হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ পেতে কানাডার একটি কোম্পানি ঘুষ দিতে চেয়েছিল। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ ব্যাপারে দুই দফা তদন্ত করেও অভিযোগের সত্যতা পায়নি। সরকারও পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি বা দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়নি বলে জোর দাবি জানালেও কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করেনি বিশ্বব্যাংক।

এটা ছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক বিরাট দুঃসংবাদ। সরকারও বিশ্বব্যাংকের এই সিদ্ধান্তে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। কারণ আওয়ামী লীগের নেতত্বাধীন তৎকালীন মহাজোট সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল পদ্মা সেতু নির্মাণ। সে জন্য ক্ষমতায় এসেই পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সরকার। বিএনপি সরকারের সময় যে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল সেই বিশ্বব্যাংককে আবার বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সংযুক্ত করতে সক্ষম হয় আওয়ামী লীগ সরকার। সঙ্গত কারণেই ২৯০ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে এককভাবে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার (৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক।

যদিও বিশ্বব্যাংক ঋণ চুক্তি বাতিল করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মা সেতু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এতে দেশে এক অভূতপূর্ব জনজাগরণের সৃষ্টি হয়। সব শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে এক অভিনব দেশাত্মবোধের উন্মেষ ঘটে। সবাই ‘যার হাতে যা আছে’ তাই নিয়ে পদ্মা সেতুর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। অন্যদিকে মালয়েশিয়াসহ অনেক দাতা গোষ্ঠীও এগিয়ে আসে। সরকার সব পথই খোলা রাখে। এমনকি বিশ্বব্যাংক যেসব কারণ দেখিয়ে ঋণ চুক্তি বাতিল করে সেগুলোও প্রতিকারের চেষ্টা করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন গলেনি বিশ্বব্যাংকের। অবশেষে এতদিন পর কানাডার আদালতের রায়ে সবকিছু মিথ্যা ও গালগল্প হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় চুক্তি বাতিলের বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্তটি যে ভুল ছিল সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না।

দেশের সর্ববৃহৎ এ নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা পারি। এটা ছিল বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, বড় সিদ্ধান্তের বিষয়। এর সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত ছিল। এমন বৃহৎ ও খরস্রোতা একটা নদীর ওপর এত বড় সেতু নির্মাণ করে আমরা বিশ্বের সামনে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলাম। আমরা বাঙালি জাতি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা যদি সৎ ও অবিচল থাকি তবে আমার যা চাই, তাই করতে পারি।’ বাংলাদেশ যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে তার প্রমাণ পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতা ও দৃঢ় সংকল্প নেতৃত্বের সাহসের প্রতীক হয়ে থাকবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।

এবারের বিজয়ের মাস এসেছে এমন এক সময়ে যখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। অর্থাৎ গোটা জাতি এ বছরকে ‘মুবিজবর্ষ’ হিসেবে পালন করছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরও পালন করবো এবার আমরা। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এটা স্বস্তির বিষয়। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা এখনো থেমে নেই। তাদের ষড়যন্ত্র চলছে। তারা নানা কায়দায় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মীয় উগ্রসাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিচ্ছে চারদিকে। কিন্তু সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

জাতীয় ঐক্যের মধ্য দিয়েই দেশবিরোধী অপতৎপরতার জবাব দিতে হবে। রুখে দাঁড়াতে হবে অপশক্তির বিরুদ্ধে। স্বাধীনতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে সম্মিলিতভাবে। শোষণমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যেখানে সবাই সবার নাগরিক অধিকার নিয়ে একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে গৌরবের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এ লক্ষ্যে বিজয়ের মাসে নতুন করে শপথ নিতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।
[email protected]

এইচআর/জেআইএম

জাতীয় ঐক্যের মধ্যদিয়েই দেশবিরোধী অপতৎপরতার জবাব দিতে হবে। রুখে দাঁড়াতে হবে অপশক্তির বিরুদ্ধে। স্বাধীনতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে সম্মিলিতভাবে। শোষণমুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, বৈষম্যহীন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যেখানে সবাই সবার নাগরিক অধিকার নিয়ে একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে গৌরবের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। এ লক্ষ্যে বিজয়ের মাসে নতুন করে শপথ নিতে হবে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]