করোনা, বন্যা এবং ঈদ

মীর আব্দুল আলীম
মীর আব্দুল আলীম মীর আব্দুল আলীম , সাংবাদিক
প্রকাশিত: ০৯:৫২ এএম, ৩১ জুলাই ২০২০ | আপডেট: ০৯:৫৬ এএম, ৩১ জুলাই ২০২০

একেই বলে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা। করোনাভাইরাসের ধাক্কা সামাল দিতে যখন আমরা হিমশিম খাচ্ছি গোটা দেশ তখন বানের পানিতে ভাসছে। আর এমন সময় এলো কোরবানির ঈদ। এই তিন ধাক্কা সামাল দিতে জনগণের ত্রাহিমধুসুধন অবস্থা। অনেকেই আজ করোনার কারণে চাকরি হারিয়ে ঘরে বসে আছেন। হাতে সংসার চালানোর অর্থ নেই। ব্যবসা-বাণিজ্যেও চরম সংকট চলছে। এই সংকট কিছুটা যখন কাটতে শুরু করেছে ঠিক তখনই বন্যার পানিতে দেশ ভাসছে। অনেক জেলাতেই এখন বানের পানি। নানা সংকটের পাশাপাশি বন্যা এবং করোনাভাইরাসজনিত মৃতু বাড়ছে। এমন কষ্টের দিনেই আনন্দের ঈদ এসে হাজির। ঈদ যে কেবল আনন্দের তা কিন্তু নয়। গরিব মানুষের জন্য ঈদটা কখনো কখনো অনেক কষ্টের বটে! সন্তান, স্বজন আর পিতা-মাতাকে নতুন কাপড় না দেয়ার কষ্ট; ভালো খাবার দিতে না পারার কষ্ট গৃহকর্তার থেকেই যায়।

করোনায় বিধ্বস্ত মানুষগুলোকে বানের পানিতে যখন ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখন ঈদ কতটা আনন্দের তা বেশ টের পাচ্ছি আমরা। রোজার ঈদের মতো এবারের ঈদটা আমাদের জন্য খুব একটা আনন্দ বয়ে আনছে তা বলা যাবে না। যারা ধনী তাদের কথা ভিন্ন, তবে সবার সুখের সাথে সাথেইতো ঈদেও আনন্দের সম্পর্ক। সবাই মিলে আনন্দ করতে না পারলে সে আনন্দ পূর্ণতা পায় না। করোনা, বান আর ঈদ এই তিন সংকটের মধ্যে আতঙ্ক আরেক সংকট। ঈদের কোরবানির হাট আর ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে রয়েছে ঝুঁকি। এই ঝুঁকি করোনার প্রকোপ বাড়া এবং মৃত্যুও শঙ্কা তৈরি করেছে। সব মিলিয়ে আমরা যে বর্তমানে মহাসংকটে আছি এ কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

করোনাভাইরাস প্রকোপের মধ্যেই দেশে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে যে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে এ জন্য আমাদের প্রস্তুতি কতটুকু? দেশের বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে অনেক এলাকা। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কারণ বন্যার প্রকোপটা এখনই বেশি দেখা দিচ্ছে। সামনে আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও বন্যা হওয়ার শঙ্কা আছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বন্যা মোকাবিলায় সরকার যথেষ্ট প্রস্তুত। বন্যা মোকাবিলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে আমরা আশ্বস্ত হতে পারি। তবে আমাদের মতো দরিদ্র দেশের একের পর এক সংকট মোকাবিলা করা একটু দুরূহই বটে। তবে এ পর্যন্ত সরকারের ত্রাণ সফলতায় আমরা খুশি হতে পারি। এ বিষয়টিতে সরকারের নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। বন্যাকবলিত এলাকায় আরও বেশি সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে আমরা আশা করি।

জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে বন্যার খবর জোরেশোরে প্রকাশ হচ্ছে। খবরের কাগজে বন্যায় আক্রান্ত মানুষের দুঃখকষ্টের কথা তুলে ধরা হচ্ছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম ততটা পর্যাপ্ত নয়, ইত্যাদি লেখা হচ্ছে। ত্রাণ যতই দেয়া হোক ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছবে এবং মানুষের চাহিদা শতভাগ পূরণ হবে তা ভাবা হয়তো ভুল হবে। বন্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বার্ষিক ঘটনা। প্রতিবছরই আমরা বন্যার কবলে পড়ি। কোনো বছর বেশি মাত্রায়, কোনো বছর কিছুটা কম। কোনো বছর কিছুটা আগে, কোনো বছর কিছুটা দেরিতে আসে। এটা নিয়ে আমাদের পূর্বপ্রস্তুতি বাঞ্ছনীয়। এবারও বোধকরি সরকার প্রস্তুত রয়েছে। তবে করোনার কারণে সারাদেশে ব্যাপক ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে এখন শতভাগ সফলতা মিলবে কিনা কেউ তা বলছেন।

দেশের বহু জায়গায় পানি বেড়ে তা মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়েছে, এটা অত্যন্ত সত্যি কথা। এ কথা সত্য যে করোনা ও বন্যার কারণে এবারের ঈদটা বিবর্ণই হবে। করোনার পর বন্যার প্রকোপ। এই দুয়ের প্রভাবে ঈদের খুশি এবার ম্লান। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঈদের আনন্দের প্রাকপ্রস্তুতি একেবারেই আলাদা। চারপাশে মৃত্যুর হাহাকার। বানভাসি ক্ষুধার্ত মানুষ। এর মধ্যে উৎসব পালনের মানসিকতাই নেই। কোরবানির হাটে আগের সেই জৌলুস নেই। আগের মতো গরু কেনার হিড়িক নেই। গত রোজার ঈদটাও অনেকটা আনন্দহীন ভয়ভীতির মধ্যে ঘরেই কেটেছে। এবার কোরবানির ঈদটাও ঘরেই কেটে যাবে।

ঈদের পর কী হবে? অর্থনীতির কী অবস্থা? অনেকেই এখন বেকার হয়ে পড়েছেন। দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বিকল্প আমদানি-রফতানির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের নতুন বাজারের সুযোগ খোঁজা অব্যাহত রেখে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং দেশে তাদের জন্য স্বল্পমেয়াদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের এখন প্রকৃতি এবং মানুষবান্ধব টেকসই মানবকল্যাণমূলক স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে- দক্ষতার সাথে যার নেতৃত্ব দেবেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। একমাত্র তিনিই পারবেন এ দেশের ধনী-গরিব, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণকে এক করে আরেকটি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। যে যুদ্ধ হবে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’।

বাংলাদেশে এখনও ২২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। সংখ্যার হিসাবে প্রায় চার কোটি। মৌলিক চাহিদার অনেক কিছুই তাদের অপূর্ণ থেকে যায়। হাড়ভাঙা পরিশ্রমের বিনিময়ে কোনোরকমে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকে। করোনা সংকট তাদের রোজগারের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার যে পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে, তাতে চাহিদার ২৫ শতাংশও মিটবে না। ৭৫ শতাংশ বঞ্চিত থেকে যাবে। এ অবস্থায় কী করবে সরকার? অবিলম্বে সরকারের ত্রাণ পরিকল্পনায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। যতদিন করোনা সংকট থাকবে, ততদিন কাজ হারানো সব অভাবী মানুষের কাছে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছাতে হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি প্রত্যেক মানুষকে ছয় মাস বিনা পয়সায় চাল দিতে পারে, আমরা কেন পারব না?

বৈশ্বিক যেকোনো মহামারিকে পরাভূত করতে হলে প্রয়োজন দেশপ্রেমিক দক্ষ নেতৃত্ব, বুদ্ধিবৃত্তিক শাসনতন্ত্র ও সঠিক কর্মকৌশল। করোনা সংক্রমণরোধ ও মহামারির পর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ঠেকাতে আমাদের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্যঘাটতি মোকাবিলায় কৃষিজমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হওয়া দরকার। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও অধিকতর উৎপাদনশীল কৃষিতে আমাদের মনোযোগ বেড়েছে। একইসঙ্গে চাহিদা অনুসারে কৃষিপণ্যের আমদানি না বাড়িয়ে দেশীয় উৎপাদনে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।

সর্বশেষ এটাই বলব, আমরা যোদ্ধার দেশের মানুষ। যুদ্ধ করে দেশ পেয়েছি। কলেরা-ডায়েরিয়া মহামারি সামনে ফেলে সফল হয়েছি। করোনা-বন্যাকেও জয় করতে হবে। সব ভয়কেই দূরে সরিয়ে নির্ভয়ের বাংলাদেশ গড়তেই হবে আমাদের। বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হলেও সব দুর্যোগ, মহামারি উৎড়ে সফলতার মুখ দেখেছে। উন্নত দেশের স্বাদ পাচ্ছি আমরা। সকল ভয়কে কাটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেই।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও গবেষক।

এইচআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৭,৯৭,১১,৫৯০
আক্রান্ত

৩৮,৯১,৮০৭
মৃত

১৬,৪৪,১৫,৬১৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৮,৬১,১৫০ ১৩,৭০২ ৭,৮৮,৩৮৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৪৪,২১,৭৫৮ ৬,১৭,৬১২ ২,৮৭,৮১,১২১
ভারত ৩,০০,০২,৬৯১ ৩,৮৯,৬৬১ ২,৮৯,৫০,৭২৬
ব্রাজিল ১,৭৯,৬৯,৮০৬ ৫,০২,৮১৭ ১,৬২,৮৮,৩৯২
ফ্রান্স ৫৯,১৭,৩৯৭ ১,১০,৮২৯ ৫৫,৭৫,১৩৭
তুরস্ক ৫৩,৮১,৭৩৬ ৪৯,২৯৩ ৫২,৪২,৯৪৫
রাশিয়া ৫৩,৫০,৯১৯ ১,৩০,৩৪৭ ৪৮,৮৯,৪৫০
যুক্তরাজ্য ৪৬,৫১,৯৮৮ ১,২৮,০০৮ ৪৩,১০,৫৭২
আর্জেন্টিনা ৪২,৭৭,৩৯৫ ৮৯,৪৯০ ৩৯,১০,৮৩৫
১০ ইতালি ৪২,৫৪,২৯৪ ১,২৭,৩২২ ৪০,৫৪,০০৮
১১ কলম্বিয়া ৩৯,৬৮,৪০৫ ১,০০,৫৮২ ৩৬,৮৫,৯৪৭
১২ স্পেন ৩৭,৬৮,৬৯১ ৮০,৭১৯ ৩৫,৬৪,৮৫০
১৩ জার্মানি ৩৭,৩১,২৮৭ ৯১,০৮২ ৩৬,০৮,১০০
১৪ ইরান ৩১,১৭,৩৩৬ ৮৩,২১৭ ২৭,৭১,৭০৫
১৫ পোল্যান্ড ২৮,৭৯,০৩০ ৭৪,৮৫৮ ২৬,৫০,৭৭৩
১৬ মেক্সিকো ২৪,৭৮,৫৫১ ২,৩১,২৪৪ ১৯,৭৪,২৫৫
১৭ ইউক্রেন ২২,৩০,১৪২ ৫২,০৫৩ ২১,৫২,৯৬৯
১৮ পেরু ২০,৩০,৬১১ ১,৯০,৬৪৫ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ২০,১৮,১১৩ ৫৫,২৯১ ১৮,১০,১৩৬
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮,৪৩,৫৭২ ৫৯,০৯২ ১৬,৬৫,৫৪০
২১ নেদারল্যান্ডস ১৬,৮০,২২৮ ১৭,৭৩০ ১৬,০৮,৫০৫
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৬৬,১৯২ ৩০,২৮৩ ১৬,৩৩,৪৮২
২৩ চিলি ১৫,২৫,৬৬৩ ৩১,৬৯০ ১৪,৫৬,৬৭২
২৪ কানাডা ১৪,০৯,৬০৭ ২৬,০৮৪ ১৩,৭২,৪৯১
২৫ ফিলিপাইন ১৩,৬৭,৮৯৪ ২৩,৮০৯ ১২,৯১,৩৮৯
২৬ ইরাক ১২,৯৮,৭০৩ ১৬,৯৩৫ ১২,০৯,৯১৮
২৭ সুইডেন ১০,৮৮,০১৪ ১৪,৫৭০ ১০,৪৮,৫৪৭
২৮ রোমানিয়া ১০,৮০,৩২৩ ৩২,৪৬৫ ১০,৪৫,৩০৩
২৯ বেলজিয়াম ১০,৭৯,৬৪০ ২৫,১৪১ ১০,১৬,৫৭৪
৩০ পাকিস্তান ৯,৪৯,৮৩৮ ২২,০৩৪ ৮,৯৪,৩৫২
৩১ পর্তুগাল ৮,৬৬,৮২৬ ১৭,০৭৪ ৮,২১,৩৭৪
৩২ ইসরায়েল ৮,৪০,০৭৯ ৬,৪৩০ ৮,৩৩,১৭৪
৩৩ হাঙ্গেরি ৮,০৭,৬৮৪ ২৯,৯৬৩ ৭,৩৫,৯৩৭
৩৪ জাপান ৭,৮৫,২৮৭ ১৪,৪২৩ ৭,৫০,৪৩০
৩৫ জর্ডান ৭,৪৭,৫০৪ ৯,৬৮৩ ৭,৩১,৪১৮
৩৬ সার্বিয়া ৭,১৫,৯১৩ ৭,০১০ ৭,০৬,২০৩
৩৭ মালয়েশিয়া ৭,০৫,৭৬২ ৪,৫৫৪ ৬,৩৯,১৮১
৩৮ সুইজারল্যান্ড ৭,০২,১২৪ ১০,৮৭৫ ৬,৭৬,৪৯৪
৩৯ অস্ট্রিয়া ৬,৪৯,৭২৮ ১০,৬৮৪ ৬,৩৬,৫২৩
৪০ নেপাল ৬,২৬,৩৪৩ ৮,৮১৩ ৫,৬৪,৮৮২
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,১৩,৯৯৩ ১,৭৬৩ ৫,৯২,৯৮৪
৪২ লেবানন ৫,৪৩,৫৫১ ৭,৮২৫ ৫,৩০,৩৯৩
৪৩ মরক্কো ৫,২৭,১৭৪ ৯,২৪৭ ৫,১৪,২৭৯
৪৪ সৌদি আরব ৪,৭৬,৮৮২ ৭,৬৯১ ৪,৫৮,০৪৮
৪৫ ইকুয়েডর ৪,৪৬,৬৩৩ ২১,৩০৪ ৪,১৫,৫০৮
৪৬ বলিভিয়া ৪,২২,৮১১ ১৬,১৭৪ ৩,৪০,৯৫৯
৪৭ বুলগেরিয়া ৪,২১,১৫২ ১৮,০০০ ৩,৯৩,১৮৬
৪৮ গ্রীস ৪,১৮,৯৪৩ ১২,৫৭৫ ৪,০০,৬১১
৪৯ বেলারুশ ৪,১১,৫৫১ ৩,০৬৩ ৪,০৪,২৪০
৫০ কাজাখস্তান ৪,১০,৫২৩ ৪,২৪৯ ৩,৮৬,১২৭
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,০৭,৭২১ ১১,৭৪৩ ৩,৪৬,৬৪৬
৫২ পানামা ৩,৯৪,২৪১ ৬,৪৭৭ ৩,৭৭,২৪৩
৫৩ স্লোভাকিয়া ৩,৯১,৩৮৫ ১২,৫০২ ৩,৭৮,০৫০
৫৪ তিউনিশিয়া ৩,৮৫,৪২৮ ১৪,১১৮ ৩,৩৬,৬৫২
৫৫ জর্জিয়া ৩,৬০,০৫৫ ৫,১৯৯ ৩,৪৬,২১৭
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ৩,৫৯,২৫৯ ৮,১৮৮ ৩,৫০,৫৩৯
৫৭ উরুগুয়ে ৩,৫৬,৩৮২ ৫,৩১৬ ৩,২৬,৮৭১
৫৮ কোস্টারিকা ৩,৫৪,০৯৫ ৪,৫৩০ ২,৭৮,২২৫
৫৯ কুয়েত ৩,৪০,৯৬৭ ১,৮৭৭ ৩,২১,২৯৩
৬০ আজারবাইজান ৩,৩৫,৫২১ ৪,৯৬৩ ৩,২৯,৫৯৯
৬১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,১৮,৩৬৮ ৩,৭৬৯ ২,৬০,৫৩৩
৬২ ফিলিস্তিন ৩,১২,৮১১ ৩,৫৫৪ ৩,০৬,৩১২
৬৩ ডেনমার্ক ২,৯১,৯৫৬ ২,৫৩১ ২,৮৫,৩৭৫
৬৪ গুয়াতেমালা ২,৮২,৭১৩ ৮,৭৮৫ ২,৫৫,৯৯৬
৬৫ লিথুনিয়া ২,৭৮,৪৬৬ ৪,৩৭১ ২,৬৫,৯৬৬
৬৬ মিসর ২,৭৭,৭৯৭ ১৫,৮৯৮ ২,০৬,০৫৩
৬৭ ইথিওপিয়া ২,৭৫,৩১৮ ৪,২৮৬ ২,৫৫,৫০২
৬৮ আয়ারল্যান্ড ২,৬৯,৪৯৫ ৪,৯৭৯ ২,৫৩,৭২৬
৬৯ বাহরাইন ২,৬৩,২৯৫ ১,৩১১ ২,৫৪,৯১৩
৭০ ভেনেজুয়েলা ২,৬২,০৩৮ ২,৯৭৩ ২,৪২,৩৫৭
৭১ স্লোভেনিয়া ২,৫৭,০৬৬ ৪,৪১৬ ২,৫১,২৪৩
৭২ মলদোভা ২,৫৬,২৩২ ৬,১৭৫ ২,৪৯,২৫০
৭৩ হন্ডুরাস ২,৫৪,১৯৪ ৬,৭৭২ ৯১,৮৬২
৭৪ ওমান ২,৫২,৬০৯ ২,৭৮২ ২,২১,২৫০
৭৫ শ্রীলংকা ২,৪১,৮২০ ২,৬৩৩ ২,০১,৩৮৯
৭৬ থাইল্যান্ড ২,২৫,৩৬৫ ১,৬৯৩ ১,৮৭,৮৩৬
৭৭ আর্মেনিয়া ২,২৪,৩৩০ ৪,৫০২ ২,১৬,১৮২
৭৮ কাতার ২,২১,১১৯ ৫৮৪ ২,১৮,৫৮৪
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৪,৮৬০ ৯,৬৪৩ ১,৮০,২৪৫
৮০ লিবিয়া ১,৯১,২৫৩ ৩,১৮১ ১,৭৬,৬৪৯
৮১ কেনিয়া ১,৭৯,২৯৩ ৩,৪৬১ ১,২২,৯৬৫
৮২ কিউবা ১,৭০,৮৫৪ ১,১৮০ ১,৬০,৯৫৬
৮৩ নাইজেরিয়া ১,৬৭,২৯২ ২,১১৮ ১,৬৩,৭৯৭
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৫,৬৪০ ৫,৪৭৭ ১,৪৯,৯০৮
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৫১,৯০১ ২,০০৬ ১,৪৩,৮১৭
৮৬ মায়ানমার ১,৪৮,৬১৭ ৩,২৬৫ ১,৩৩,৭৫৩
৮৭ লাটভিয়া ১,৩৬,৯৭৫ ২,৪৯৭ ১,৩২,৭২১
৮৮ আলজেরিয়া ১,৩৬,৬৭৯ ৩,৬৫০ ৯৫,০৮৪
৮৯ জাম্বিয়া ১,৩৩,৬৫৯ ১,৭৪৪ ১,১১,৮৪৪
৯০ আলবেনিয়া ১,৩২,৪৯৬ ২,৪৫৫ ১,২৯,৯৪১
৯১ এস্তোনিয়া ১,৩০,৮৫৫ ১,২৬৯ ১,২৬,৭৯৮
৯২ নরওয়ে ১,২৯,৬৫৭ ৭৯০ ৮৮,৯৫২
৯৩ কিরগিজস্তান ১,১৬,৫৪৬ ১,৯৪৫ ১,০৫,৯৩২
৯৪ আফগানিস্তান ১,০৭,৯৫৭ ৪,৩৬৬ ৬৫,৫৬৫
৯৫ উজবেকিস্তান ১,০৬,৮৪৭ ৭২০ ১,০২,৫৪৬
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১,০০,০৯২ ১,৬০৫ ৯৮,১৮৯
৯৭ মঙ্গোলিয়া ৯৮,০৫০ ৪৫৯ ৬৪,৩৫৪
৯৮ ঘানা ৯৫,০৫৯ ৭৯৪ ৯৩,০০৫
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ৯৪,৪৮৯ ৯৬৭ ৪৬,০০০
১০০ চীন ৯১,৬২৯ ৪,৬৩৬ ৮৬,৪৮১
১০১ ক্যামেরুন ৮০,৩২৮ ১,৩১৩ ৭৮,১৬২
১০২ এল সালভাদর ৭৭,৪৮৪ ২,৩৪১ ৭১,৬০৩
১০৩ নামিবিয়া ৭৫,৭৬৬ ১,১৭৯ ৬০,৪৮৪
১০৪ সাইপ্রাস ৭৩,৭১০ ৩৭৪ ৭২,০৮৩
১০৫ উগান্ডা ৭২,৬৭৯ ৬৮০ ৪৯,৭৯৪
১০৬ মোজাম্বিক ৭২,৫৭৭ ৮৪৮ ৭০,২৪১
১০৭ মালদ্বীপ ৭২,১৪৯ ২০৬ ৬৭,১৪৮
১০৮ লুক্সেমবার্গ ৭০,৫৪৭ ৮১৮ ৬৯,৪৬১
১০৯ বতসোয়ানা ৬৫,৮০৮ ১,০৬৯ ৫৯,৬১৬
১১০ সিঙ্গাপুর ৬২,৪৪৮ ৩৫ ৬২,০৯৮
১১১ জ্যামাইকা ৪৯,৭১২ ১,০৩৪ ২৮,৭৯৩
১১২ আইভরি কোস্ট ৪৮,০৪৭ ৩০৮ ৪৭,৪৮৭
১১৩ কম্বোডিয়া ৪৪,১২৪ ৪৫৯ ৩৮,৭৬৬
১১৪ সেনেগাল ৪২,৪৭২ ১,১৫৯ ৪০,৯৬৩
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৪২,১৯৫ ১,৬৮৫ ৩৭,২০০
১১৬ মাদাগাস্কার ৪২,১৩৭ ৯০৩ ৪০,৮৭০
১১৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩৮,৩৩০ ৮৮৮ ২৭,৯৬৯
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৩৭,৭৪৮ ৮৬৮ ৩১,৭৮২
১১৯ সুদান ৩৬,৩৪৭ ২,৭৩৭ ৩০,০৬২
১২০ মালাউই ৩৪,৯১৪ ১,১৭১ ৩২,৮৯১
১২১ কেপ ভার্দে ৩২,০৩৯ ২৮৩ ৩১,০৯১
১২২ রুয়ান্ডা ৩১,৪৩৫ ৩৮৮ ২৬,৭০৪
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩০,৭৬৭ ৭৪৭ ২১,৮৭২
১২৪ মালটা ৩০,৫৯৫ ৪২০ ৩০,১৪৮
১২৫ অস্ট্রেলিয়া ৩০,৩৬৬ ৯১০ ২৯,২৭২
১২৬ রিইউনিয়ন ২৮,৪৪১ ২২০ ২৬,৩৩৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৬,৬৪৭ ১৪২ ৯,৯৯৫
১২৮ সিরিয়া ২৫,১৫৮ ১,৮৪৮ ২১,৭৪৭
১২৯ গ্যাবন ২৪,৮৬৪ ১৫৮ ২৪,২৬৪
১৩০ গিনি ২৩,৫৩৫ ১৬৮ ২২,২৮২
১৩১ মৌরিতানিয়া ২০,৩৬৫ ৪৮১ ১৯,৪৩৮
১৩২ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৪ ২,৯৬৪
১৩৩ সুরিনাম ২০,১৪১ ৪৬৭ ১৫,৪২৪
১৩৪ গায়ানা ১৯,১৪৪ ৪৪৯ ১৭,১৭৫
১৩৫ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৯৭২ ১৪২ ১৮,৮০৫
১৩৬ ইসওয়াতিনি ১৮,৮৩১ ৬৭৭ ১৮,০৩৯
১৩৭ হাইতি ১৭,৭১০ ৩৯৩ ১২,৭৫৩
১৩৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১৭,০১৩ ১৭৩ ১৬,৩৯৬
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ১৬,৭৫২ ২২৯ ২,২৫০
১৪০ সোমালিয়া ১৪,৮৬৭ ৭৭৫ ৭,২০৪
১৪১ সিসিলি ১৪,৬২০ ৫৯ ১৩,৩২৩
১৪২ মালি ১৪,৩৮৫ ৫২৪ ১০,০৩৬
১৪৩ তাইওয়ান ১৪,১৫৭ ৫৭৫ ৯,১৭৯
১৪৪ এনডোরা ১৩,৮৬৪ ১২৭ ১৩,৬৬৫
১৪৫ টোগো ১৩,৭৩১ ১২৮ ১৩,৩৫৮
১৪৬ ভিয়েতনাম ১৩,৬৩০ ৬৯ ৫,৪৫৩
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৪৬৯ ১৬৭ ১৩,২৯৩
১৪৮ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪৯ বেলিজ ১৩,০৩৯ ৩২৯ ১২,৫৬৮
১৫০ বাহামা ১২,৩৬৪ ২৪৩ ১১,৩২২
১৫১ কিউরাসাও ১২,৩১৯ ১২৫ ১২,১৬১
১৫২ কঙ্গো ১২,২৯৮ ১৬১ ১১,২১১
১৫৩ মার্টিনিক ১২,১৭৮ ৯৮ ৯৮
১৫৪ হংকং ১১,৮৯৭ ২১০ ১১,৬১৮
১৫৫ জিবুতি ১১,৫৯১ ১৫৫ ১১,৪৩১
১৫৬ লেসোথো ১১,১২৮ ৩২৯ ৬,৪৪৫
১৫৭ আরুবা ১১,১১২ ১০৭ ১০,৯৭৫
১৫৮ দক্ষিণ সুদান ১০,৭৮৬ ১১৫ ১০,৫১৪
১৫৯ পূর্ব তিমুর ৮,৭৮১ ১৯ ৭,৭৬২
১৬০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৭০৮ ১২০ ৮,৪৮৯
১৬১ বেনিন ৮,১৪০ ১০৩ ৭,৯৭৯
১৬২ নিকারাগুয়া ৭,৬৯৬ ১৮৮ ৪,২২৫
১৬৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১২৯ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৪ ইয়েমেন ৬,৮৮৯ ১,৩৫৫ ৩,৯৫৮
১৬৫ আইসল্যান্ড ৬,৬৩০ ৩০ ৬,৫৭৬
১৬৬ গাম্বিয়া ৬,০৪৫ ১৮১ ৫,৮৩৭
১৬৭ নাইজার ৫,৪৬৯ ১৯৩ ৫,১৭৮
১৬৮ ইরিত্রিয়া ৫,৪২১ ১৯ ৪,৮৯৭
১৬৯ বুরুন্ডি ৫,২৪২ ৭৭৩
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ৫,২১৮ ৮০ ৫,০৬৫
১৭১ সান ম্যারিনো ৫,০৯০ ৯০ ৪,৯৯৯
১৭২ চাদ ৪,৯৪৭ ১৭৪ ৪,৭৬৮
১৭৩ সিয়েরা লিওন ৪,৮৭৯ ৮২ ৩,২৬৯
১৭৪ জিব্রাল্টার ৪,৩২৩ ৯৪ ৪,২১৪
১৭৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১২৮ ৮৬ ৩,৯৯৪
১৭৬ বার্বাডোস ৪,০৪৫ ৪৭ ৩,৯৮৮
১৭৭ কমোরস ৩,৯১২ ১৪৬ ৩,৭৪৫
১৭৮ গিনি বিসাউ ৩,৮২৫ ৬৯ ৩,৫৫৮
১৭৯ লাইবেরিয়া ৩,১০৯ ৯৯ ২,১৬৯
১৮০ লিচেনস্টেইন ৩,০২৮ ৫৯ ২,৯৫৭
১৮১ নিউজিল্যান্ড ২,৭২০ ২৬ ২,৬৭১
১৮২ সিন্ট মার্টেন ২,৫৭৫ ৩২ ২,৪৮৭
১৮৩ মোনাকো ২,৫৪৯ ৩৩ ২,৪৮১
১৮৪ বারমুডা ২,৫০৪ ৩৩ ২,৪৬১
১৮৫ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪২৪ ১৮ ২,৩৮৯
১৮৬ ফিজি ২,২৭০ ৬১৮
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,১৯৬ ১২ ১,৯৩৬
১৮৮ সেন্ট মার্টিন ২,১৩৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৯ লাওস ২,০৬৭ ১,৯৫৪
১৯০ ভুটান ১,৯৩৯ ১,৬৮৫
১৯১ মরিশাস ১,৭০১ ১৮ ১,২৬৫
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬৩৩ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৩ আইল অফ ম্যান ১,৫৯৯ ২৯ ১,৫৬৬
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৬৩ ৪২ ১,২২১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৭৬৮ ৭৫৫
১৯৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৮ কেম্যান আইল্যান্ড ৬০৯ ৫৮৭
১৯৯ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০০ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫০ ৭৫
২০২ ব্রুনাই ২৫৬ ২৪৫
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২৪৮ ২০৯
২০৪ ডোমিনিকা ১৯১ ১৮৯
২০৫ গ্রেনাডা ১৬১ ১৬০
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৯ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ১০৯
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৯ ম্যাকাও ৫৩ ৫১
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৫০ ৪০
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৬ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]