নির্বাচিত হলে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির জায়গা হবে না: ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩২ এএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার ওয়ারী এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইশরাক হোসেন/ছবি: জাগো নিউজ

 

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনি এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি কিংবা অবৈধ দখলের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওয়ারীর রবিদাস পাড়া এলাকায় রেংগস অনামিকা ও রবিদাস পাড়া অ্যাপার্টমেন্ট ল্যান্ড ওনারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করানো হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ঢুকিয়ে ছাত্র ও যুব সমাজকে বিপথে নেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক হুমকি।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময়ে একজন মাদক গডফাদারকে সংসদে পাঠানো হয়েছিল। পরে বিতর্কের মুখে তাকে সরিয়ে তার স্ত্রীকে সংসদ সদস্য করা হয়। একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে তার তরুণ সমাজকে ধ্বংস করলেই যথেষ্ট। সে লক্ষ্যেই দেশকে একটি ‘দাস রাষ্ট্রে’ পরিণত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

বাংলাদেশের ওপর আধিপত্যবাদী শক্তির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার অবস্থান আপসহীন। সুযোগ পেলে স্থানীয়ভাবে মাদকের স্পটগুলো বন্ধ করতে নিজেই মাঠে দাঁড়াবো এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেবো।

তিনি আরও বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। যতদিন জীবিত থাকবো মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো।

মতবিনিময় সভায় সড়ক ও ফুটপাথে অবৈধ স্থাপনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিএনপির এ প্রার্থী। তিনি বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত সরকারি সম্পত্তি। পরিচয় বা ক্ষমতা যা-ই হোক না কেন, সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। এসব দখলের কারণে যানজট বেড়েছে এবং এলাকার পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। সুযোগ পেলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।

ইশরাক হোসেন বলেন, আমি এর আগে কোনো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব বা জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করিনি। তাই জনগণের কাছে একটি সুযোগ চাই। নির্বাচিত হলে একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে জনগণ যে দায়িত্ব ও সেবা প্রত্যাশা করে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার করছি।

তিনি বলেন, এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে নাগরিক সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে। দীর্ঘদিন অবহেলিত ঢাকা-৬ আসনকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। 

এমডিএএ/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।