ধানের রাজনীতি এখন গুলশানকেন্দ্রিক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫২ পিএম, ১৩ মে ২০২৬
এনসিপির কৃষি সেলের সেমিনারে বক্তব্য দেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, দেশে হাওর অঞ্চলে ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যদিও ধান মার্কা বাংলাদেশে ক্ষমতায় আছে। কিন্তু ‘ধানের রাজনীতি’ এখন গুলশানকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, প্রয়োগিক অর্থে ধানকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট যারা রয়েছেন তাদের পুনর্বাসনের দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রী। এখন গুলশানে যারা ব্যবসায়ী, যাদের কাছে টাকা আছে, হাওয়া ভবনে যাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাদের কাছে চলে গেছেন।

বুধবার (১৩ মে) দলের কৃষি সেল আয়োজিত ‘ধান কেনার মৌসুমে সরকারি শর্ত ও অসময়ের অতিবৃষ্টিতে কৃষকের হাহাকার: সংকট ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, মওলানা ভাসানী দলের মার্কা রেখেছিলেন ধানের শীষ। অবশ্য সেই মার্কা চুরি হয়ে গিয়েছিল। মওলানা ভাসানী বাংলাদেশে কৃষকনির্ভর রাজনীতির সূচনা করেছিলেন। যদি তার এ মার্কাটা ওনার কাছে থাকতো আজকের ধান মার্কা পানির নিচে তলিয়ে যেত না।

‘ধান মার্কা বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকলেও কৃষকের ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এখন ধানের রাজনীতি বগুড়া থেকে গুলশানে চলে এসেছে। গুলশানের ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কাছেই সেই ক্ষমতা ও অর্থ চলে গেছে।’

তিনি বলেন, কৃষি দেশের জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু অস্ত্র বা সামরিক শক্তিই জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়, কৃষি খাত অস্থিতিশীল হলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বড় একটি অংশ ছিলেন শ্রমজীবী ও কৃষক শ্রেণির মানুষ। তাদের আন্দোলনের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল অর্থনৈতিক সংস্কার ও বৈষম্য দূর করা। এ কারণে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার বড় অংশজুড়ে কৃষি ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এনএস/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।