মান্নাকে গণধোলাই দেওয়ার হুমকি ছাত্রলীগের
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে সারা বাংলাদেশের সকল শ্ক্ষিা প্রতিষ্ঠান থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে তাকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই গণধোলাই দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ছাত্রলীগ।
বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য, জঙ্গিবাদী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সমাবেশ এ ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ।
সমাবেশে এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের পরামর্শে ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশে পেট্রোলবোমা মেরে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। তারা এদেশের ১৫ কোটি এসএসসি পরীক্ষার্থীকে জিম্মি করে, দেশের মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন।
ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, গণতন্ত্রের নামে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, সন্ত্রাস, নাশকতা ও অরাজকতা সৃষ্টি করে ক্ষমতায় যাওয়ার যে নীলনকশা বিএনপি-জামায়াত তৈরি করছে তাতে পিছন থেকে উস্কানি দিচ্ছে মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো সুশীল সমাজ নামধারীরা। যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের লাশ ফেলতে দ্বিধাবোধ করেন না।
তারা আরো বলেন, মাহমুদুর রহমান মান্না সারা বাংলাদেশের সকল শ্ক্ষিা প্রতিষ্ঠানে আজ থেকে অবাঞ্চিত। তাকে সারা বাংলাদেশের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই গণধোলাই দেওয়া হবে। তিনি বাংলার সচেতন ছাত্র সমাজকে এই সকল দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।
সংগঠনের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জয়দেব নন্দী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, নাগরিক ঐক্যের এ নেতার সঙ্গে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনালাপ প্রকাশ হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় চলছে। ফোনালাপটিতে চলতি রাজনৈতিক সঙ্কট উত্তরণে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
আরএস/পিআর