সংকটে ব্লেম গেম থেকে বিরত থাকুন : কাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ১৩ মে ২০২১ | আপডেট: ০৩:১৭ পিএম, ১৩ মে ২০২১

ঈদকে সামনে রেখে করোনানাকালীন সংকটে রাজনৈতিক ব্লেম গেম থেকে বিরত থাকা সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব সরকারের সমালোচনার নামে এমন সব বিষয়ের অবতারণা করেন, যার জবাব আওয়ামী লীগকে দিতে হয়। যদিও যা জানতে চাই, তার জবাব তাদের কাছে পাই না।’

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার ভুয়া জন্মদিবস নিয়ে জাতির কাছে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তার সঠিক জবাব বিএনপির পক্ষ থেকে আজও পাওয়া যায়নি। বেগম জিয়া এখন অসুস্থ। তাই ১৫ আগস্টের মতো নৃশংস হত্যা দিবসে তার ভূয়া জন্মদিন পালনের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন, এটাই মানুষ আশা করেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব তা না করে প্রতিদিনই একেকটা বিষয় নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছেন।’

‘সরকার বাংলাদেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে’, বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকার নয়, ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে বিএনপি। যেমনটি তারা ২০০১ সালে করেছিল। ২০০১ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছিল বিএনপি। ২১ হাজার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করেছে।’

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাহিমা, রহিমা, পূর্ণিমাসহ শত শত নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল, তা কি ভুলে গেছে বিএনপি?’

তিনি বলেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন ৭১ -এর পাক-হানাদারের নির্যাতনকেও হার মানিয়েছিল। আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন। কলঙ্কিত ইতিহাস আর বিকৃত অবয়ব ছাড়া আর কিছুই দেখতে পারবেন না।’

‘দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ২৬ মার্চ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত যে ত্রাস ও তাণ্ডব চালিয়েছিল তার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল বিএনপি। এর আগেও ভাস্কর্য ইস্যুতেও দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ত্রাস সৃষ্টিতে হেফাজতকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদ দিয়েছিল বিএনপি’, মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এসইউজে/এমএইচআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]