বিডিআর বিদ্রোহের ষড়যন্ত্রে বিএনপি জড়িত ছিল: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪১ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি মহাসচিব ঠিকই বলেছেন যে, বিডিআর বিদ্রোহ ছিল দেশের বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্র। তবে সেই ষড়যন্ত্রে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি যুক্ত ছিল বললে তার কথা সম্পূর্ণ হতো।’

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে বিপুল গণরায় নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকেই বিএনপি দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হয়েছিল। বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য।

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে রাঙ্গুনিয়া সমিতির ‘মেজবান মিলনমেলায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

আরও পড়ুন>> বিডিআর বিদ্রোহের দিন খালেদা জিয়ার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল: হানিফ

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি প্রশ্ন রাখতে চাই, বিডিআর বিদ্রোহের দিন ভোররাতে কেন বেগম জিয়া তার বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন? তখন তো আমরা ক্ষমতায়, আমরা জানি, সেদিন ও তার আগের দিন বেগম জিয়া কতবার তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। সেসব রেকর্ড আমাদের কাছে আছে।’

এ ঘটনায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের কার্যকলাপ ও ঘটনা পরম্পরায় তাদের নেপথ্য ভূমিকা স্পষ্ট হলেও প্রত্যক্ষ প্রমাণের অভাবে মামলা হয়নি। ঠিক যেমন বঙ্গবন্ধু হত্যার পটভূমি রচনাকারী অনেক ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধেও প্রত্যক্ষ প্রমাণের অভাবে এখনও মামলা করা যায়নি।’

আরও পড়ুন>> সাজা শেষ হলেও বিস্ফোরক মামলায় ঝুলে আছে অনেকের মুক্তি

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জেলে থেকে রাজনীতি করতে পারবেন কি না’ এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেগম জিয়া সাজাপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে রাজনীতি করতে পারবেন না বিধায় বিএনপি তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানিয়েছে। সেজন্য তারা তাদের গঠনতন্ত্রের সাত নম্বর ধারা, যেখানে দুর্নীতির দায়ে কেউ সাজাপ্রাপ্ত হলে বিএনপির কমিটিতে থাকতে পারবে না বলা ছিল, সেই ধারা বাতিল করেছে।’

এর আগে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সমিতির ‘মেজবান মিলনমেলায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী উপজেলা সমিতির জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। শিগগির ঢাকায় রাঙ্গুনিয়া সমিতির একটি স্থায়ী অফিস প্রতিষ্ঠায় সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

আরও পড়ুন>> পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৪ বছর: চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি কোনো মামলার

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সমিতির সভাপতি ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন জামাল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন হিরু, রাঙ্গুনিয়া সমিতির উপদেষ্টা গিয়াস উদ্দিন খান, আবু সালেহ প্রমুখ।

আইএইচআর/এএএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।