বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না: জিএম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৪ পিএম, ২০ মে ২০২৩

বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের সম্পর্কে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না। এমন সম্পর্ক থাকলে পরস্পর একসঙ্গে এগিয়ে চলা সহজ হয়। ভারতের প্রয়োজনে আমরা সহায়তা দেবো, আবার আমাদের প্রয়োজনে ভারত সহায়তা করবে। এটা দুদেশের মানুষের প্রত্যাশা। এ কারণেই ভারতে যে সরকারই আসে, তারাই বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’

শনিবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জের জাতীয় শিব মন্দির চত্বরে শ্রী অধোক্ষানন্দ দেবতীর্থ মহারাজের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘ভারত আমাদের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ভারতের জনগণ সবসময় আমাদের পাশে ছিল। শুধু একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ নয়, সব প্রয়োজনেই ভারত বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে আমাদের পাশে ছিল। সংস্কৃতি, চেহারা এবং ইতিহাসেও ভারতীয় সঙ্গে আমাদের মিল আছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ভারত শুধু সামরিক শক্তি নয়, অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছে। বন্ধুপ্রতিম দেশের উন্নয়নে প্রতিবেশী হিসেবে আমরাও উপকৃত হচ্ছি। ব্যবসা, চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য ভারত আমাদের কাছে প্রয়োজনীয়। আমাদের স্বার্থেই ভারতের সঙ্গে সুসস্পর্ক রাখা জরুরি।’

সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে জাতীয় পার্টি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাস করে জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের যেমন সম্পর্ক রাখা দরকার, তেমনি আমাদের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক রাখা জরুরি। ভৌগলিক কারণেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ভারতের ন্যায্য দাবি হচ্ছে, বাংলাদেশকে ব্যবহার করে কেউ যেন ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে। পরস্পরের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারত শক্তিশালী সম্পর্ক। আমরা পরস্পরের ভাই হিসেবে থাকবো। একে-অন্যের বিপদে পাশে থাকবো। বাংলাদেশ ও ভারত একইসঙ্গে সার্বিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।’

এসএম/এএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।