মালয়েশিয়ায় প্রবেশ-প্রস্থান আরও সহজ করবে সমন্বিত অভিবাসনব্যবস্থা
মালয়েশিয়ায় প্রবেশ ও প্রস্থানের কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করতে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে জাতীয় সমন্বিত অভিবাসনব্যবস্থা।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল জানিয়েছেন, একক অভিবাসন প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে, যারা প্রতিদিন বৈঠকের মাধ্যমে পুরো রূপান্তর প্রক্রিয়া তদারক করছে। এই নতুন ব্যবস্থা সর্বোচ্চ দ্বিতীয় প্রান্তিকের শুরুতেই কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সেপাংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি বড় রূপান্তর। তাই আমাদের একটি দল প্রতিদিন বৈঠক করছে। তারা চেকলিস্ট প্রস্তুত, সম্ভাব্য জটিলতা চিহ্নিত এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলো যাচাই-বাছাই করছে।’
বর্তমানে মাই নাইস, মাই বর্ডার পাস ও মাই ডিজিটাল আইডি- এই তিন ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ায় সরকার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।
অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, তিনটি ব্যবস্থার মধ্যে কোনো কার্যকর দ্বন্দ্ব নেই। বরং প্রতিটি ব্যবস্থা অভিবাসন সেবার বৃহত্তর ডিজিটাল কাঠামোর ভেতরে আলাদা আলাদা দায়িত্ব পালন করছে।
নতুন মাই নাইস চালু হলে এটি দুই দশকের বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন ইন্টিগ্রেটেড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের স্থলাভিষিক্ত হবে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশটির সব অভিবাসনসেবা এক ছাতার নিচে নিয়ে আসা হবে।
অন্যদিকে, মাই বর্ডার পাস, যা ২০২৪ সাল থেকে চালু রয়েছে- মূলত বড় প্রবেশপথগুলোতে ভিড় কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক অটো-গেট ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি সাময়িক সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মাই ডিজিটাল আইডি হলো মালয়েশিয়ার জাতীয় ডিজিটাল পরিচয় প্ল্যাটফর্ম। এটি কোনো অভিবাসন অ্যাপ নয়, বরং সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায় নিরাপদ পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যার মধ্যে মাই নাইসে প্রবেশাধিকারও অন্তর্ভুক্ত।
সরকারের আশা, নতুন এই সমন্বিত অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানবন্দর ও অন্যান্য প্রবেশপথে যাত্রীদের হয়রানি কমবে এবং সেবা আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে।
একিউএফ/জেআইএম