জাপানের টোকিওতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪২ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গভীর শ্রদ্ধা, ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদার সাথে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
 
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবসটি পালিত হয় বলে সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।
 
অমর একুশের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশি বন্ধুদের মাঝে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
 
দিবসের প্রথম প্রহরে তোশিমা সিটির ইকেবুকুরো নিশিগুচি পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। 
 
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং তোশিমা সিটির প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 
 
এরপর জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের প্রবাসীরা প্রভাতফেরির মাধ্যমে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
 
পরে দূতাবাস প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিত করেন। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। 
 
দূতাবাস মিলনায়তনে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনার মাধ্যমে বিকেলের অনুষ্ঠান শু্রু করা হয়। অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয়। 
 
আলোচনা সভায় অমর একুশের ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বিশ্বজনীন গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত, যা সকল জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে প্রেরণা জোগায়।
 
সবশেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মানে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
 
এমএএস/এসএইচএস
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]