মালয়েশিয়া

হালাল ট্যুরিজম বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন মাসুদ সাঈদী

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৫৮ এএম, ১৮ মে ২০২৬
ছবি-সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার মিনিস্ট্রি অব ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচারের ব্যবস্থাপনা এবং ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টারের আমন্ত্রণে আয়োজিত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের হালাল ট্যুরিজম বিষয়ক ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করেছেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় হালাল ট্যুরিজম খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার লক্ষ্যে ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের তিন পরিচালকসহ তিনি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর-এ অনুষ্ঠিত ‌‘মুসলিম-ফ্রেন্ডলি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ারনেস ওয়ার্কশপ’-এ অংশ নেন।

jagonews24

১৪ মে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ ওয়ার্কশপে মুসলিম-ফ্রেন্ডলি পর্যটন, হালাল হসপিটালিটি, আন্তর্জাতিক পর্যটন ব্যবস্থাপনা, শরিয়াহসম্মত সেবা কাঠামো এবং আধুনিক পর্যটন উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকেরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

jagonews24

ওয়ার্কশপে বক্তব্য ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বব্যাপী হালাল ট্যুরিজম শিল্পের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা, মুসলিম পর্যটকদের চাহিদা এবং ইসলামিক মূল্যবোধভিত্তিক আতিথেয়তা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে পর্যটন শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি, সেবার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

ওয়ার্কশপে মাসুদ সাঈদীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডিএম ইমদাদুল হক, পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) আবু তৈয়ব রাশেদ এবং পরিচালক (প্রশাসন) হাফিজুর রহমান।

jagonews24

অংশগ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে হালাল ও মুসলিম-ফ্রেন্ডলি সেবার বিস্তৃতি ঘটাতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিশ্বের মুসলিম পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় হালাল ট্যুরিজম গন্তব্য হিসেবে পরিচিত করতে এ উদ্যোগ কার্যকর অবদান রাখবে বলেও তারা মত দেন।

এমআরএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]