ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগেই আলোচনায় হ্যান্ডশেক নাকি কঠোর অবস্থান?

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নানা অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আবারও আলোচনায় এসেছে ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক। ম্যাচের আগে ও পরে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে করমর্দন হবে কি না- তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি।

এশিয়া কাপের সময় শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। কলম্বোতে কূটনৈতিক পর্যায়েও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর মধ্যস্থতায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতার খবর পাওয়া গেলেও, সেই সমঝোতার মধ্যে করমর্দন সংক্রান্ত অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা নতুন প্রোটোকল জারি করা হয়নি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। করমর্দন ইস্যুতে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না- তা তারা নিশ্চিতও করছেন না, আবার অস্বীকারও করছেন না।

অন্যদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আগের অবস্থানই বহাল থাকতে পারে। কলকাতার এক সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিকের মতে, ১নো হ্যান্ডশেক নীতি সম্ভবত চালু থাকবে। বিসিসিআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা জয় শাহ সহজে এই অবস্থান থেকে সরে আসবেন না, কারণ এটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত।”

বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি এখন আর কেবল ক্রিকেটীয় শিষ্টাচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংবেদনশীলতাও জড়িয়ে গেছে। ফলে পরিস্থিতিতে নমনীয়তা দেখানো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জন্য কঠিন হয়ে উঠছে।

এ অবস্থায় ভারত-পাকিস্তান মহারণের আগে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—মাঠে কি দেখা যাবে খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক সৌহার্দ্য, নাকি ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্কের ছায়া থেকেই যাবে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে?

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।