ভারত থেকে সরে যেতে পারে পরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, বিশ্বকাপ!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২২ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভারত থেকে সরে যেতে পারে বড় দুটি টুর্নামেন্ট। ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক যে ভাবে ক্রমশ খারাপ হচ্ছে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ক্রিকেটে, তাতে ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদপত্র ‘দ্য এজ’ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

পত্রিকাটি জানিয়েছে, যদি ভারত থেকে এই দু’টি বড় প্রতিযোগিতা সরে যায়, তাহলে আয়োজনের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়াই। যারা এর আগে ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছিল।

ভারত ও পাকিস্তান আইসিসির সঙ্গে একটি চুক্তি করে রেখেছে যেখানে বহুদেশীয় প্রতিযোগিতায় কোনও দেশই একে অপরের দেশে গিয়ে খেলবে না। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি হয়নি ভারত। তারপরেই এই চুক্তি হয়েছিল। আপাতত ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি যে ভাবে জটিল হচ্ছে, তাতে ২০২৭ সালের পরেও এই ব্যবস্থাতেই দু’দলের খেলা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদপত্রের দাবি, এই ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে রাজি নয় আইসিসি। কারণ, দুই দলের যাতায়াতের সমস্যা। শুধু এই ম্যাচটির জন্য দু’দলকে অতিরিক্ত যাতায়াত করতে হচ্ছে। নতুন করে হোটেলের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। এসবের ফলে খরচও বাড়ছে।

গত রোববারই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্সে ম্যাচ খেলার জন্য ভারতীয় দলকে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় যেতে হয়েছিল। একই রকমভাবে এশিয়া কাপের সময় পাকিস্তান পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের দেশে খেললেও ভারতের বিপক্ষে-ম্যাচ খেলার জন্য তাদের কলম্বোয় যেতে হয়েছিল।

এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশও। তারাও এবার নিরপেক্ষ দেশে খেলতে চেয়েছিল; কিন্তু তাদের সেই দবি বাতিল করে দেয় আইসিসি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের এবারের বিশ্বকাপে খেলাই হচ্ছে না।

আইসিসি এই জটিলতা চাইছে না। ফলে তারা ভারতে টুর্নামেন্ট আয়োজন না করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে, ভারতে খেলা হলে নিঃসন্দেহে আইসিসির কোষাগারে বাড়তি অর্থ যোগ হবে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, আইসিসি চাইলেও ভারত থেকে সব প্রতিযোগিতা সরিয়ে নিতে পারবে না।

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।