পিএসএলে অদ্ভুত কাণ্ড, সাদা বল হয়ে গেলো মেরুন

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১১ পিএম, ২৭ মার্চ ২০২৬

অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তান সুপার লিগে। যা কিনা ক্রিকেট মাথে আগে কখনোই দেখা যায়নি। লাহোর কালান্দার্স ও হায়দরাবাদ কিংসম্যানের ম্যাচের ব্যবহৃত সাদা রঙের বলটা হুট করে রূপ নিলো মেরুনে।

ম্যাচ চলাকালীন আকস্মিকভাবে বলের এই রঙের পরিবর্তনের কারন জানা যায়নি। তবে পরে পরিবর্তন করতে হয়েছে বলটি। ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবরে বলা হয়েছে, হায়দরাবাদ মেরুন রঙের জার্সির কারণেই বদলে গেছে বলের রঙ। লাহোর কালান্দার্সের ইনিংসে ১৫তম ওভার শেষে বল পরিবর্তন করতে হয়।

বল পরিবর্তনের আগে বেশ কয়েক ওভার খেলা হয় রঙ পাল্টে যাওয়া বলেই। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই সাদা বলের ওপর হালকা মেরুন রঙের আভা দেখা যাচ্ছিল। খালি চোখেও সেটি বেশ ভালোভাবেই ধরা পড়েছিল। হায়দরাবাদের অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্বিতীয় ওভারেই দাবি জানান আম্পায়ারদের কাছে বল পরিবর্তনের।

ম্যাচটি ৬৯ রানের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে হায়দরাবাদ অধিনায়ক লাবুশেন বলেন, ‘আমি আম্পায়ারদের বলেছি, কী হচ্ছে এসব? বল তো পুরো লাল হয়ে গেছে! নিশ্চিতভাবেই এটি পোশাক বা তেমন কিছু থেকে হয়েছে। আগে কখনো এমনটা দেখিনি, তবে প্যাডের রং বা ব্যাটের কিছু থেকে বলের গায়ে রং লাগতে দেখেছি। আশা করছি, আগামী রোববারের ম্যাচের আগেই আমরা এর সমাধান করে ফেলব।’

তবে লাহোরের হারিস রউফের মতে, গ্যালারির সীট থেকেও বলের গায়ে রঙ। তবে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের সীটগুলো রঙ সবুজ ও সাদা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘কে বল পরিবর্তন করিয়েছে সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। কিটের কারণেই এমনটা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বল বেশ কয়েকবার মাঠের বাইরে যাওয়ায় গ্যালারির সিটের কারণেও এমনটা হতে পারে। যতক্ষণ ব্যাটসম্যানেরা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলেন, তারা খেলেছেন। যখন দেখতে সমস্যা হচ্ছিল, তখন হয়তো তারা বল পরিবর্তন করেছেন। আমি ব্যাটিংয়ে নামলে প্রথম বলেই (বল) বদলে ফেলতে বলতাম।’

ম্যাচ হেরেও এই ঘটনা নিয়ে মজা নিয়েছে হায়দরাবাদ। এক্সে লাহোর কালান্দার্সকে অভিনন্দন জানিয়ে এক পোস্টে তারা লিখেছে, ‘নিজেদের প্রথম পিঙ্ক বলের ম্যাচ জেতার জন্য অভিনন্দন!’

আইএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।