সিলেট টেস্ট
জুটি ভাঙার পর ফিফটি তুলে নিলেন লিটন
লিটন দাস আর তাইজুল ইসলামের জুটিটি আশা দেখাচ্ছিল। অবশেষে তাইজুল ইসলাম আউট হলে ভাঙলো ৬০ রানের এই জুটি। তবে লিটন দাস দেখেশুনে খেলে ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৮৮ রান। লিটন দাস ৫১ আর তাসকিন আহমেদ ৬ রানে অপরাজিত আছেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। আব্বাসের বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ হয়েছেন তিনি, খুলতে পারেননি রানের খাতা।
তানজিদ হাসান তামিম অভিষেক টেস্টে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারলেন না। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে টপ এজ হয়েছেন তিনি। আব্বাস নিজেই ক্যাচ নেন।
৩৪ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৬ রান আসে তানজিদের ব্যাট থেকে। দলীয় ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেট হয়ে গিয়েছিলেন আগের টেস্টে জোড়া হাফসেঞ্চুরি করা মুমিনুল হক। তবে খুররম শেহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে লাইন মিস করেন তিনি, বল লেগে উড়ে যায় স্টাম্পের বেল। ৪১ বলে ৩ চারের সাহায্যে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।
৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর দ্রুত সাজঘরে ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম আর মেহেদী হাসান মিরাজ।
মোহাম্মদ আব্বাসের দুর্দান্ত সুইংয়ে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসবন্দী হয়েছেন শান্ত (২৯)। আরেক সেট ব্যাটার মুশফিককে (২৩) এলবিডব্লিউ করেন খুররম শেহজাদ। খুররমের তৃতীয় শিকার হন মিরাজ। মাত্র ৪ রান করে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
১১৬ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়ে বসেছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ১১৪ বলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তাইজুলকে (১৬) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন পাকিস্তানি অফস্পিনার সাজিদ খান। ১৭৬ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।
এমএমআর