এমএলএস
দ্বিগুণেরও বেশি বেতন মেসির, আবারও আয়ে শীর্ষে
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আবারও সর্বোচ্চ বেতনভোগী ফুটবলার হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি। মঙ্গলবার প্রকাশিত এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সর্বশেষ বেতন তালিকা অনুযায়ী, ইন্টার মিয়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকার বার্ষিক মূল বেতন ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ৩০৭ কোটি টাকা), যা লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতনভোগী খেলোয়াড় সন হিউং-মিনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
গত অক্টোবরে ইন্টার মিয়ামির সঙ্গে নতুন চুক্তি করেন মেসি, যা তাকে ২০২৮ মৌসুম পর্যন্ত ক্লাবটিতে রাখবে। নতুন চুক্তির ফলে তার মূল বেতন দ্বিগুণ হয়েছে এবং মোট গ্যারান্টিযুক্ত আয় দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ডলার (প্রায় ৩৪৭ কোটি টাকা)।
দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা সন হিউং-মিন, যিনি গত আগস্টে ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম ছেড়ে লস অ্যাঞ্জেলস এফসিতে যোগ দেন, তার মূল বেতন ১ কোটি ৩৬ লাখ ডলার এবং মোট গ্যারান্টিযুক্ত আয় ১ কোটি ১২ লাখ ডলার (প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা)। উল্লেখ্য, তাকে দলে ভেড়াতে এলএএফসি প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেকর্ড ট্রান্সফার ফি খরচ করেছে বলে জানা গেছে।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন মেসির আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও ইন্টার মিয়ামি সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল, যার গ্যারান্টিযুক্ত আয় ৯৭ লাখ ডলার (প্রায় ১১৯ কোটি টাকা)।
চতুর্থ স্থানে আছেন মেক্সিকান ফরোয়ার্ড হিরভিং লজানো, যার আয় ৯৩ লাখ ডলার (প্রায় ১১৪ কোটি টাকা)। যদিও তিনি গত নভেম্বরের পর থেকে সান ডিয়েগোর হয়ে মাঠে নামেননি। শীর্ষ পাঁচের শেষ নাম মিগুয়েল আলমিরোন, যার গ্যারান্টিযুক্ত আয় ৭৯ লাখ ডলার (প্রায় ৯৭ কোটি টাকা)।
এমএলএস জানিয়েছে, পুরো লিগে খেলোয়াড়দের মোট পারিশ্রমিক বর্তমানে ৬৩ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৭৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা)। গড় গ্যারান্টিযুক্ত বেতন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮১৬ ডলার (প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা), যা গত অক্টোবরের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
উল্লেখ্য, এই হিসাবের মধ্যে খেলোয়াড়দের বিজ্ঞাপন ও স্পন্সরশিপ থেকে পাওয়া আয় অন্তর্ভুক্ত নয়। এছাড়া ইন্টার মিয়ামির সহ-মালিক ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাবে মেসির সম্ভাব্য মালিকানা অংশীদারিত্বও এই বেতনের হিসাবে ধরা হয়নি।
এমএমআর