মিঠুন-রিয়াদের জায়গায় ব্যাটিং করতে চান সাইফউদ্দিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৪ পিএম, ২৪ মে ২০২১

২০১৫ সালের বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দলে ছিল পেস বোলিং অলরাউন্ডারের হাহাকার। জিয়াউর রহমান, আবুল হাসান রাজু কিংবা সৌম্য সরকারকেও বিবেচনা করা হয়েছিল এই সমস্যা সমাধানের জন্য। কিন্তু তারা কেউই সে অর্থে টিকতে পারেননি।

তবে এখন স্থায়ী এক সমাধানই পেয়েছে টাইগাররা। বছর চারেক ধরে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডারের অভাব পূরণ করে চলেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ডানহাতি পেস বোলিংয়ের সঙ্গে নিচের দিকে নেমে বাঁহাতি ব্যাটিংয়ে ক্যামিও ইনিংস খেলার দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করছেন তিনি।

যার সবশেষ উদাহরণ দেখা গেছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে। যেখানে ইনিংসের শেষদিকে নেমে ৯ বলে ১৩ রান করেন সাইফউদ্দিন। আবার বল হাতে ভানিন্দু হাসারাঙ্গার গুরুত্বপূর্ণ উইকেটসহ সাজঘরে ফেরান দুই লঙ্কান ব্যাটসম্যানকে।

সবমিলিয়ে প্রথম ওয়ানডেতে চাহিদার সবটুকুই দিয়েছেন সাইফউদ্দিন। কিন্তু তার নিজের চাওয়া আরেকটু বেশি। ব্যাটিংয়ে অবদান রাখার জন্য, তার চোখ পাঁচ কিংবা ছয় নম্বর পজিশনে। যেখানে এখন খেলেন মোহাম্মদ মিঠুন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তবে বাস্তবতাও বোঝেন সাইফ। তাই ব্যক্তিগত পছন্দের চেয়ে টিম কম্বিনেশনের কারণে যে কোনো পজিশনে খেলার জন্যই নিজেকে প্রস্তুত ঘোষণা করেছেন তিনি। সোমবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক সরবরাহকৃত ভিডিওবার্তায় সাইফ জানিয়েছেন এ কথা।

তার ভাষ্য, ‘দল যেভাবে চাইবে সেভাবেই আমি প্রস্তুত। সেটা আট নম্বর হোক কিংবা সাত নম্বর। ব্যক্তিগতভাবে আমাকে প্রশ্ন করা হলে পাঁচ বা ছয় নম্বরে ব্যাটিং করতে চাই। যদিও এটা সম্ভব না টিম কম্বিনেশনের কারণে। অনেক অভিজ্ঞ বড় ভাইরা আছে। যদি ধারাবাহিকভাবে খেলতে থাকতে পারি, ইনশাআল্লাহ সুযোগ আসবে।’

২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ২৫টি ওয়ানডে খেলেছেন সাইফ। যেখানে ব্যাটিং পেয়েছেন ১৬ ইনিংসে। এর মধ্যে ১০ বারই তাকে নামতে হয়েছে আট নম্বরে। এ পজিশনেই হাঁকিয়েছেন দুইটি ফিফটি। এছাড়া সাত এবং নয় নম্বরে নেমেও চল্লিশোর্ধ্ব রানের ইনিংস রয়েছে তার।

সবমিলিয়ে ১৬ ইনিংসের ব্যাটিং ক্যারিয়ারে দুই ফিফটিতে ভর করে ৩১৫ রান করেছেন ২৪ বছর বয়সী এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। সাতবার অপরাজিত থাকায় গড়টাও বেশ স্বাস্থ্যবান, ৩৫.০০। স্ট্রাইকরেটও (৮৯.৪৮) বেশ ভালো তার।

এসএএস/এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]