একটা সময় কানাডার হয়ে খেলতে চেয়েছিলেন বুমরাহ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১৫ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

ভারতের অন্যতম সেরা বিধ্বংসী পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। বিশেষ করে স্লগ ওভারে তার নিয়ন্ত্রিত বোলিং যে কোনো দলের জন্যই ভয়ঙ্কর। সেই জসপ্রিত বুমরাহর এক সময় নাকি চিন্তা ছিল কানাডায় চলে যাওয়া এবং সেখানে ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। তবে মায়ের কারণে এই ইচ্ছা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি ভারতীয় এই পেসারের।

কানাডায় পাড়ি দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতেও শুরু করেছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই পেসার। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে যোগ দেওয়ার আগে ভারত ছাড়ার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন তিনি।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বুমরাহ বলেছেন, ‘সব ছেলেই ক্রিকেটার হিসাবে বড় হতে চায়। বড় মঞ্চে খেলতে চায়। দেশের প্রতিটি রাস্তায় খেলা ২৫ জন করে ছেলে ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখে। তাই বিকল্প পরিকল্পনা থাকা উচিত। ওখানে (কানাডায়) আমার কয়েকজন আত্মীয় থাকেন। তাই ভেবেছিলাম ওখানে গিয়ে পড়াশোনা শেষ করব। তারপর চাচার বাড়িতে থেকে বাকিটা চেষ্টা করব। আমাদের পুরো পরিবারেরই কানাডায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।’

চূড়ান্ত পরিকল্পনা হঠাৎ কিভাবে পাল্টে গেলো, কিভাবে ভারতেই থেকে গেলো বুমরাহর পরিবার? সে প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন বুমরাহ। তিনি বলেন, ‘আমার মা পরে মত পরিবর্তন করেন। তিনি কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে রাজি হননি। ওখানকার সংস্কৃতি পছন্দ নয় মায়ের। মায়ের ওই সিদ্ধান্ত আমারও উপকারে লেগেছে। তাই আমি খুশি। নিজেকে ভাগ্যবানও মনে করি। ওখানে একবার চলে গেলে হয়তো কানাডার হয়ে খেলার চেষ্টা করতাম। কানাডার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভাল কিছু করার চেষ্টা করতাম।’

বুমরাহ জানিয়েছেন, পরিবারের সবাই কানাডায় চলে যেতে রাজি থাকলেও মায়ের আপত্তিতেই শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার জন্য মায়ের সেই সিদ্ধান্তের প্রতি কৃতজ্ঞ বুমরাহ। সেই সিদ্ধান্তের জন্যই তার জীবন বদলে গেছে বলেও মনে করেন তিনি।

ভারতের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৬টি টেস্ট, ৮৯টি একদিনের এবং ৬২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন বুমরা। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলে ১২৫ ম্যাচে ১৫৫টি উইকেট রয়েছে তার।

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।