বিজয়ের প্রত্যাশায় মাঠে যাবে প্রবাসীরা


প্রকাশিত: ০৫:১০ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সিডনি থেকে মশিউর রহমান তুহিন

বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা সবখানে। সিডনি প্রবাসীরাও এই আলোচনার বাহিরে নয় কারণ বিশ্বকাপটা যে অস্ট্রেলিয়াতে হচ্ছে। তার উপর যদি নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে তাহলে উত্তেজনার পারদটা কোথায় থাকতে পারে তা অনুমানের বিষয়।

গত কয়েকদিন বন্ধুমহল, কমিউনিটি, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, প্রবাসী রাজনিতিক ও শরণার্থী হিসেবে যারা আশ্রয় নিয়েছেন অনেকের সাথে বিশ্বকাপ নিয়ে কথা হয়। তাদের বাংলাদেশ দল নিয়ে ভাবনা, আশা, হতাশা অনেকে অনেক ভাবে প্রকাশ করেছেন। অনেকের আবার পছন্দের দল আছে, তারা সবাই চায় তাদের সেই দল বিশ্বকাপ জিতুক।

তবে যে যাই বলুক সবার একটাই আশা বাংলাদেশ ভালো খেলুক এবং অন্তত আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়লাভ করুক। অনেকে আবার ফেসবুকের মাধ্যমে দলের জন্য শুভকামনা করেছেন।

কেউ কেউ আবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে হারটা কোনোভাবেই মেনে নিতে না পেরে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তেমনি একজন লাকেম্বা স্টিট এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মশিউর রহমান বাবু ফেসবুকের মাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করে লিখেছেন `যদি আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচ হারে তাহলে সবগুলাকে ক্যানবেরা থেকে বাড়ী ফিরতে দেওয়া হবেনা।`  

লিভারপুলে থাকা লেখকের এক ছোট ভাই ফেসবুকে লিখেছেন, `ডেভ হোয়াটমর দায়িত্ব নেয়ার দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশের কাছে হোয়াটওয়াশ হবার লজ্জা ভুলে জিম্বাবুয়ে যদি শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারে তাহলে আমরা কেন আইসিসির সহযোগী দেশ আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারানোর আশা করতে পারিনা।`

শনিবার অস্ট্রেলিয়ার ব্যাংকস টাউনে কথা হয় প্রবাসী ছাত্র আবদুল্লাহ আল নোমানের সাথে। তার একটাই কথা টেস্ট স্ট্যাটাস পাবার ১৭ বছর পর এখন আর ভালো খেলার তৃপ্তি নিয়ে বাসায় ফিরতে চাইনা। এখন চাওয়া শুধু দল জিতবে এবং জেতার মানসকিতা নিয়ে মাঠে নামবে।

আরেক প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, `দলের সবাই যদি দেশপ্রেমের মন্ত্র নিয়ে খেলতে নামে তাহলে হারার কোনো কারণ দেখিনা। কারণ আমরা মাঠে গিয়ে তাদের উৎসাহ দেবো এবং তাদের কখনো মনেই হবেনা তারা দেশের বাইরে খেলছে। সবার এতো উৎসাহ দেখে সত্যিই মনে হয় আমরা হারবো না।`

বিএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।