সৌম্য-মাহমুদউল্লাহকে হারিয়ে ২০১৫-এর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ মোস্তাফিজ


প্রকাশিত: ১২:১৯ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০১৭

ক্রিকেটে ২০১৫ সালটা অনেকটা স্বপ্নের মতোই কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলোকে বধ করেন টাইগাররা। আর ওই বছরের সবচেয়ে আলোচিত ক্রিকেটার ছিলেন সৌম্য সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহকে পেছনে ফেলে ২০১৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতে নেন মোস্তাফিজ।

ওই বছরের শুরুটা দারুল ছিল মাহমুদউল্লাহ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তুলেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। আর সে ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে করেন ১০৩ রান। এর পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও খেলেন ১২৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। বিশ্বকাপে টানা দুই সেঞ্চুরিই সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার এনে দেয় মাহমুদউল্লাহকে।

বছরটিতে দারুণ খেলেছিলেন সৌম্য সরকারও। পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। এরপর তার ব্যাটেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও সিরিজ জয় লাভ করে বাংলাদেশ। সে বছর ১৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে করেন ৬৭২ রান।

তবে সে বছরটিতে মনে রাখার মতো পারফরম্যান্স করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ভারতের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ। আর তাতে মূল অবদান ছিল এ নবীনের। অভিষেকের প্রথম দুই ম্যাচেই তুলে নেন পাঁচ উইকেট। এক সিরিজে ১৩ উইকেট নিয়ে গড়েন বিশ্ব রেকর্ড। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে অভিষেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে গড়েন আরও এক বিরল রেকর্ড।

তবে সব দিক বিবেচনা করে নির্বাচকরা এগিয়ে রাখেন মোস্তাফিজকেই। ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস এওয়ার্ড আজ সোমবার তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেরা ক্রীড়াবিদ মোস্তাফিজ ছাড়াও দেওয়া হয় বিভিন্ন ক্যাটাগরির সেরা খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচ, সংগঠক, পৃষ্ঠপোষকদের।

আরটি/আরআইপি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]