তবুও ফাইনালে বার্সা
অনেকেই ভেবেছিলেন হয়ত বায়ার্ন মিউনিখ এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফাইনাল খেলবে। কিন্তু লুইস এনরিকের দল দুই খেলায় বড় ব্যবধানে জিতে অংকটা পাল্টে গিয়ে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মোড় নেয় দারুণ এক নাটকীয়তায়। বায়ার্ন মিউনিককে ফাইনাল খেলতে হলে বার্সেলোনার সঙ্গে কমপক্ষে চার গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। কিন্তু বায়ার্নের ভাগ্য ভাল না হওয়ায় তা আর হলো না। তারা বার্সার সঙ্গে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জিতলেও উল্টো বার্সেলোনারই ফাইনালই নিশ্চিত হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রাতে আলিয়াঞ্জ আরেনায় ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত বার্সেলোনা। কিন্তু দানি আলভেসের বাড়ানো বল থেকে ইভান রাকিতিচের নিচু শট দারুণ দক্ষতায় রক্ষা করেন গোলরক্ষক মানুয়েল নায়ার। অবশেষে সেই কাঙ্খিত গোলটি সপ্তম মিনিটেই পেয়ে যায় স্বাগতিকরা।
পরে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে বায়ার্ন। তবে ফিলিপ লামের ক্রসে টমাস মুলারের হেড ঠেকিয়ে দেন টের স্টেগেন। তবে ২৯ মিনিটে আলিয়াঞ্জ আরেনাকে নিশ্চুপ করে দেন নেইমার। নি:স্বার্থ সুয়ারেজের ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
হতাশা নিয়েই বিরতিতে যায় বায়ার্ন। প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হারা দলটির তখন বার্লিনের ফাইনালে যেতে দরকার আরও ৫ গোল!
বিরতির পর ম্যাচের ৬০তম মিনিটে বায়ার্নকে সমতায় ফেরান লেভানদোভস্কি। ডি-বক্সের ঠিক ভেতরে হাভিয়ের মাসচেরানোকে ফাঁকি দিয়ে বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন পোল্যান্ডের এই স্ট্রাইকার। বায়ার্ন এগিয়ে যাওয়া গোলটি পায় ৭৪তম মিনিটে। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে দারুণ শটে গোলরক্ষককে পরাস্থ করেন টমাস মুলার। তবে বার্সেলোনার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় এরপর আরও তিনটি গোল করা আর সম্ভব হয়নি বায়ার্নের।
এ জয়ের ফলে অষ্টমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল বার্সা। রিয়াল মাদ্রিদ আর ইউভেন্তুসের মধ্যে জয়ী দলের সাথে আগামী ৬ জুন বার্লিনে ফাইনালে মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।
জেআর/এমএস