সিরিজ জিততে টাইগারদের লক্ষ্য ১৯৯
মুস্তাফিজের বোলিং তোপে মাত্র ২০০ রান অল আউট ভারত। তবে ডার্ক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য এখন ১৯৯। আর এই রান করতে হবে বৃষ্টি আইনে ৩ ওভার কমে আসা ৪৭ ওভারে। আর এ ম্যাচ জিতলেই সিরিজ জয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলা নিশ্চিত হবে টাইগারদের।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ধোনি বাহিনীর। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রোহিতকে ফেরান এই পেসার। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন সাব্বির আহমেদ। দ্বিতীয় বলে রোহিতের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পরে ভারত। তবে শেখর ধাওয়ান এবং বিরাট কোহলির ৭৪ রানের জুটিতে সে ধাক্কা সামলে নেয় ভারত।
১৩তম ওভারের তৃতীয় বলে টাইগারদের হয়ে দ্বিতীয় আঘাত হানেন নাসির। এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান ভারতের পোস্টার বয় বিরাট কোহলিকে। ২১তম ওভারের শেখর ধাওয়ানকে কিপার লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করে বাংলাদেশকে আবার উল্লাসে ভাসান নাসির হোসেন। তবে আউট হওয়ার আগে ক্যারিয়ারের ১৩তম অর্ধশত রান তুলে নিয়েছেন উদ্বোধনী এই ব্যাটসম্যান। ৬০ বলে ৭টি চারে ৫৩ রান করেন এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান।
পরের ওভারেই রুবেল ফেরান আম্বাতি রাইডুকে। এর পর কোণঠাসা ভারত ধোনি-রায়নার ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে। এই দুই ব্যাটসম্যান ৫৩ রানের জুটি গড়ে তুলেন। তবে মুস্তাফিজের আঘাতে ফিরে যেতে হয় রায়নাকে। ৩৬তম ওভারের তৃতীয় বলে কিপার লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন সুরেশ রায়না। এরপর ৩৯তম ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ধোনি ও অক্ষর প্যাটেলকে সাজঘরে ফেরান মুস্তাফিজ। প্রথম ম্যাচে ধোনি-মুস্তাফিজের সেই ধাক্কার ঘটনার পর রোববারের ম্যাচে ধোনির উইকেট পেয়ে যেন উল্লাসে ভেঙ্গে পড়েন মুস্তাফিজ। অনেকটা যেন প্রতিশোধ নেওয়ার মতো। ৪১ ওভারের শেষ বলে আবারো আঘাত হানেন ভারত শিবিরে। ক্যাচ আউট করে সাজঘরে ফেরান অশ্বিনকে।
এরপর বৃষ্টি বাঁধায় সাময়িক খেলা বন্ধ থাকালেও বৃষ্টি শেষ হবার পর প্রথম এবং নিজের কোটার শেষ বলে আউট করেন ভারতের শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান জাদেজাকে। এরপর রুবেল শেষ ব্যাটসম্যান ভুবেনেশ্বর কুমারকে আউট করলে ২০০ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। অভিষেকে পাঁচ উইকেট নেবার পর এই ম্যাচে ছয় উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ ।