দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের নায়ক মুস্তাফিজ
ভারতের বিপক্ষে অভিষেকেই জয়ের নায়ক বনে যাওয়া পাতলা লিকলিকে শরীরের মুস্তাফিজুর রহমান দ্বিতীয় ম্যাচে আরো উজ্বল হিসেবে দেখা দিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করার পর রোববার দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে ধোনিদের অল্পরানে বেধে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।
বাঁ-হাতি এই পেসারের তোপেই ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ পেসারের ধারাবাহিক নৈপণ্যে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে ভারতকে মাত্র ২০০ রানে বেধে রাখার পুরস্কার হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হলেন মুস্তাফিজ। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েই টানা দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে গড়ে তুললেন নিজেকে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে ভারতকে বাংলাওয়াশ করার দ্বার উন্মোচন করলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে রোববার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। উদ্বোধনী বোলার হিসেবে এসেই শূন্যরানে রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে সিরিজ জয়ের ইঙ্গিত নেন তরুণ মুস্তাফিজ।
এরপর বাংলাদেশের মাশরাফি, তাসকিন, রুবেল, সাকিব, মুস্তাফিজের আটোঁসাটোঁ বোলিং তোপে পড়ে ভারত। মুস্তাফিজুর রহমান ক্যারিয়ার সেরা ৪৩ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন। পাশাপাশি দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নেন তিনি।
বাংলাদেশ দলে ভুরি ভুরি বাঁ-হাতি স্পিনার। কিন্তু একজন ভালোমানের বাঁ-হাতি পেসার যেন সোনার হরিণ। সৈয়দ রাসেলের পর আর কেউ দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ দলে খেলতে পারেননি। তবে মুস্তাফিজুর রহমান প্রথম দুই ম্যাচেই জানিয়ে দিলেন হারিয়ে যেতে আসেননি তিনি।
একে/বিএ