দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ


প্রকাশিত: ০৫:২৯ এএম, ১০ মে ২০১৫

২০১৬ সালের মধ্যে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হতে হচ্ছে বাংলাদেশ। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী সভায় এ-সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবে পরিকল্পনা কমিশন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বলেছে, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হলে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৪০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ পাবে। বর্তমানের তুলনায় ডাটার পরিধি কয়েকগুণ বাড়বে। দেশে ১ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। গত দুই বছর আগেও ২০ লাখের মতো ইন্টারনেটের গ্রাহক ছিল। এসব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ব্যান্ডউইথ বিশেষ করে ডাটা ও ভয়েসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে সাবমেরিনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক ভয়েস ও ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে মানসম্পন্ন ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হতে `আঞ্চলিক সাবমেরিন টেলিযোগাযোগ` শীর্ষক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটিতে প্রায় ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) ঋণ দেবে ৩৫২ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) দেবে ১৪২ কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে। প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের জন্য আরেকটি সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে সংযুক্ত হতে হবে। কারণ, প্রথমটি কাটা পড়লে সাত থেকে ১০ দিন আগে সাগরের তলদেশ থেকে কেবল তুলে মেরামত করা সম্ভব নয়। তখন পুরো দেশ ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে বিপদে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পরিচালক মো. মেসবাহুজ্জামান জাগো নিউজকে জানান, লক্ষ্য করেলেই দেখা যাবে, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নিরাপত্তার স্বার্থে দুই থেকে তিনটি সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হয়। আমাদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই নতুন প্রকল্পের আওতায় আরেকটি সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত হবে বাংলাদেশ। এর ফলে ইন্টারনেটে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও লাভবান হবেন।

এমজেড/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।