ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের জন্মদিন আজ


প্রকাশিত: ০৬:৩০ পিএম, ১৪ মে ২০১৫

বলুন তো, ফেসবুকের লোগো থেকে শুরু করে সবকিছুতেই নীল রঙের এত ছড়াছড়ি কেন?
কারণ, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ রং-কানা। শুধু নীল রংটাই চিনতে পারেন তিনি।

আর বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময় ফেসবুকের এই প্রতিষ্ঠাতার আজ ৩১তম জন্মদিন।

ফেসবুক যোগাযোগে এনেছে এক বিপ্লব। আন্তঃব্যক্তিক শুধু নয়, আন্তঃসামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটিকে বাস্তবায়নে ফেসবুক একটি বিস্ময়ের নাম।

২০০৪ সালে এই ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খুব কম বয়সেই বিশ্বের শীর্ষ আলোচিত ব্যক্তির তালিকায় নাম তোলেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সফটওয়্যার ডেভলপার মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ।

নিজের বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আজ তিনি ফেসবুককে পৌঁছে দিয়েছেন কোটি মানুষের হাতের মুঠোয়। বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও ব্যক্তিগত জীবনে অনেক সাধারণ এই মানুষটি।

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঝরে পড়া ছাত্র ২০০৪ সালে তার কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে ব্যক্তি-মালিকানায় প্রতিষ্ঠা করেন ফেসবুক নামের এই ওয়েবসাইটটি। বিশ্ব প্রযুক্তিতে আলোড়ন তোলার কারণে এই তরুণ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ২০১০ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে টাইম ম্যাগাজিনের বছরের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত হন।

মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য বিনিময়ের জন্য ফেসবুক সৃষ্টি করলেও নিজেকে নিভৃতে রাখতেই পছন্দ করেন মার্ক। ২০১০ সালে তার জীবন অবলম্বনে দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক নামে একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেলেও এর গল্প বাস্তবতা বহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

১৯৮৪ সালে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেন এলাকায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন মার্ক। তিন বোনের এই একমাত্র ভাই ছিলেন তুখোড় মেধাবী। বিজ্ঞান শিক্ষার পাশাপাশি গ্রীক, ল্যাটিন ও চীনা ভাষায় তিনি পারদর্শিতা অর্জন করেন। এছাড়া আইস ক্রীড়া ও কবিতা আবৃত্তি কারণেও তিনি ছিলেন স্কুলের প্রিয়মুখ। ২০১২ সালের ১৮মে খুব সাদামাটা আয়োজনে বিয়ে করেন দীর্ঘদিনের বান্ধবী চিনা বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক প্রিসিলা চ্যাংকে। শুধু প্রিসিলার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্যই চিনা ভাষা শিখেছিলের মার্ক।

শুরুতে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান ফেসবুক কিনে নিতে চাইলেও মার্ক তা না করে ঝুঁকি নিয়েই এগিয়ে যান। সে কারণেই ৫০ কোটি অ্যাকটিভ ইউজারদের সঙ্গী করে তিনি উঠে এসেছেন বিশ্বের সফল ব্যক্তিদের কাতারে। অথচ এই মানুষটি খুব সাদাসিধা জীবন যাপন করেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টোতে শত বছরের পুরোনো একটি বাড়িতে থাকেন। সাধারণ একটি গাড়ি নিজে চালিয়েই ভ্রমণ করেন। আর পোশাকের ক্ষেত্রে ধুসর রঙের টি শার্টই তার পছন্দের। আর তিনি শতভাগ নিরামিষভোজী।

এসআরজে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।