বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস রোববার
১৭ মে রোববার বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ)- এর ১৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি : উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, একই মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান-বিটিআরসি, বিটিসিএল, টেলিটক, বাকেশী, বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর, মোবাইল অপারেটরসহ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকায় ১৮ ও ১৯ মে, দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮ মে সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর একটি স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি পেশাদার, অপারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে চারটি বিষয়ের উপর সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ‘কানেকটিভিটি অ্যান্ড ইন্টারনেট’ বিষয়ে রবির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহেদ আহমেদ, ‘ইনোভেশন ইন আইসিটি অ্যান্ড টেলিকম’ বিষয়ে গ্রামীণফোন রেগুলেটরী অ্যাফেয়ার্সের ডিরেক্টর হোসেন সাদাত, ‘কনটেন্ট অ্যান্ড এপ্লিকেশন’ বিষয়ে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন এবং ‘টেলিকমিউনিকেশন ড্রাইভার ফর ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রোকনুজ্জামান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।
দিবসটির প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে মহাখালী উত্তরা হয়ে বিআইসিসি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য রোড শো ও র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বেতার-টেলিভিশনে টকশো, প্রামাণ্য অনুষ্ঠানসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এ উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কসমূহে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণসহ এসএমএস এর মাধ্যমে জনগণকে দিবসটি সম্পর্কে অবহিত করা হবে।
১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা এবং প্রথম আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ সম্মেলন অনুষ্ঠানের নিদর্শন স্বরূপ ১৯৬৯ সালের ১৭ মে থেকে প্রতি বছর বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের নভেম্বরে আইটিইউ সম্মেলনে ১৭ মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য সংঘ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরএস/আরআইপি