গাড়িতে এসি চালিয়েও বেশি মাইলেজ পাওয়ার উপায়

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১১ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত

গাড়িতে এসি চালালে ফুয়েল একটু বেশি খরচ হয়। ফলে গাড়ির মাইলেজ থাকে কম। বিশেষজ্ঞদের দাবি, গাড়িতে বেশি পরিমাণে এসি চালালে, তা গাড়ির মাইলেজের উপরে মাত্র ৫-৭ শতাংশ প্রভাব ফেলে। এর কারণ হলো এয়ার কন্ডিশনারটি কাজ করার জন্য ইঞ্জিন থেকে শক্তি সংগ্রহ করে তার উপরে চাপ সৃষ্টি করে এবং গাড়িকে আরও জ্বালানি ব্যবহার করতে একপ্রকার বাধ্য করে। এখন আপনি যদি গাড়ির এয়ার কন্ডিশনার তার সর্বোচ্চ সেটিংসে চালান, তাহলে তার গড় মাইলেজের রিটার্ন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

তবে গরমের সময় এসি ছাড়া ঘরে বা গাড়িতে থাকা অসম্ভব হয়ে পরে। মাইলেজ কম পাওয়ার জন্য কি এসি ব্যবহার করবেন না গাড়িতে, তা তো সম্ভব না। চাইলে গাড়িতে এসি চালিয়েও বেশি মাইলেজ পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই কৌশল-

আরও পড়ুন: গোবরে চলবে মারুতি সুজুকির এই গাড়ি 

>> গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে যখন এসিটা অন করছেন, তখন তার তাপমাত্রা একটু বেশিই রাখুন। ধীরে ধীরে তা কমাতে থাকবেন, তাহলে দীর্ঘক্ষণ আপনার গাড়ির ভিতরটা ঠান্ডা থাকবে এবং আপনার জ্বালানির দহনও সেভাবে হবে না। তারপরে আপনি চাইলে কিছু সময়ের জন্য এসিটা বন্ধও করে রাখতে পারেন।

>> গাড়ি ছায়াযুক্ত স্থানে পার্ক করুন। এতে গাড়ির ভেতরও মোটামুটি ঠান্ডা থাকবে। ফলে এসি কমিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।

>> গরমে গাড়ির ভেতরটা তেতে থাকা খুব স্বাভাবিক। তাই গাড়ি চালানোর আগে তার জানলাগুলো খুলে দিন। তারপরই এসি চালান। এতে করে গাড়ির গরম বাতাস বেরিয়ে যাবে এবং আপনার গাড়িটাও খুব দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যাবে।

>> গাড়ি চালানোর আগে এসি চালু করবেন না। ড্রাইভ শুরু করার পরে এসি চালু করুন। বেশিরভাগ এসি সিস্টেম গাড়ি চালানোর সময় গাড়িটিকে দ্রুত ঠান্ডা করে।

>> গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গেই রিসার্কুলেশন মোডটি বন্ধ করুন। যার ফলে বায়ুচলাচল হবে এবং গরম বাতাস বেরিয়ে যাবে। পরে গাড়ির ভেতরটা আবার ঠান্ডা হয়ে গেলে রিসার্কুলেশন মোড চালু করুন। এর ফলে গাড়ির কেবিনে ঠান্ডা বাতাস সঞ্চালিত হতে থাকবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তা ঠান্ডাও থাকবে।

সূত্র: কেসাট ডটকম

কেএসকে/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।