মক্কা থেকে মদিনায় বুলেট ট্রেন চালাবেন সৌদি নারীরা

ভ্রমণ ডেস্ক
ভ্রমণ ডেস্ক ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

পুরুষ চালকদের ট্রেন চালাতে দেখেছেন কমবেশি সবাই। এবার সৌদি আরবের নারীদেরও ট্রেন চালকের আসনে দেখা যাবে। এই ইসলামী দেশের নারীরা এবার বুলেট ট্রেন চালানোর সুযোগ পেয়েছেন। প্রশিক্ষণার্থীদেরও ট্রেন চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

খুব শিগগিরই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদেরকে মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত তীব্র গতিতে বুলেট ট্রেন চালাতে দেখা যাবে। এর আগে মাত্র ৪ বছর আগে সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: বিশ্বের যে ৪ শহরে বসবাস করতে চাইলেই পাবেন জমি ও টাকা

বর্তমানে ৩২ জন নারীর প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এখন এই নারীদের ৪৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ হাই স্পিড লাইনে ট্রেন চালাতে দেখা যাবে। যার নাম আল-হারামাইন এক্সপ্রেস।

হারমান ট্রেনের অধিনায়ক ও প্রশিক্ষকদের মতে, কোম্পানিটি পুরুষ ও নারী অধিনায়কদের সেরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় এসএআর ট্রেন চালানোর প্রথম নারী হতে চলেছেন তারা।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেশন, একসঙ্গে দাঁড়ায় ৪৪ ট্রেন

আল-হারামাইন এক্সপ্রেস কী?

আল হারামাইন এক্সপ্রেস ট্রেন প্রকল্প যাত্রীদের বিলাসবহুল সুবিধা’সহ বৈদ্যুতিক রেলের একটি নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

৪৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে। মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত চলাচলের একটি নিরাপদ ট্রেন এটি।

গত কয়েক বছরে সৌদি আরবের নারীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ২০১৮ সালের আগে এই শহরে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি ছিলো না।

আরও পড়ুন: যে দুর্গের সিঁড়ি থেকে পড়ে মারা যান সম্রাট হুমায়ুন

সৌদি আরব একটি কট্টর ইসলামী দেশ। মেখানে নারীদেরকে পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয় না। তবে কয়েক বছর পর হলেও এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের স্বপ্ন।

২০১৮ সালে নারীদের গাড়ি চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা অপসারণের পরে, বিপুল সংখ্যক আরব নারীরা গাড়ি, বাইক এমনকি ভারী যান চালানোর লাইসেন্স পেয়েছেন।

শ্রমশক্তিতে সৌদি নারীদের অনুপাত ২০১৬ সাল থেকে দ্বিগুণেরও বেশি, ১৭ শতাংশ থেকে ৩৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: প্রেসওয়ার ১৮

জেএমএস/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।