শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের প্রতীকী জানাজা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৪:৫২ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৩

স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় নীরব থাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রক্টরের প্রতীকী জানাজা পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার (১২ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটকে কফিন রেখে প্রতীকী জানাজা পড়েন তারা। এসময় বিভিন্ন অভিযোগ টেনে মোনাজাতও করেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পাস থেকে কফিনের বাক্স এনে তাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মারা গেছে লিখে প্রতীকী জানাজা অংশ নেন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। হাত তুলে মোনাজাত করেন। পরে ওই কফিনে আগুন ধরিয়ে দেন তারা।

jagonews24

আরও পড়ুন: অবরুদ্ধ উপাচার্যকে দুই ঘণ্টা পর উদ্ধার করলো ছাত্রলীগ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারকে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এসময় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

এদিন সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূলফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অবরোধ করে আন্দোলন করেন।

jagonews24

এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের অংশ নিতে হলের মসজিদ মাইকে আহ্বান জানাতেও শোনা গেছে।

এসময় বিভিন্ন স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল করে উপাচার্যের বাসভবনে সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

jagonews24

আরও পড়ুন: উত্তাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা 

এর আগে বাসভাড়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর বাজারে ঘটনার সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে আহত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

মনির হোসেন মাহিন/আরএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।