‘এবার হয় চাকরি, নয়তো আমাদের মৃত্যু হবে’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৩:৪৮ পিএম, ৩১ জুলাই ২০২৩

 

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে টানা ১৩ দিন অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর কাফনের কাপড় পরে আমরণ অনশনে বসেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দৈনিক মজুরিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মচারীরা।

সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশনে বসে থাকতে দেখা যায় তাদের। এসময় অনশনকারীদের মধ্যে দুজনকে কাফনের কাপড় পরে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। গত ১৭ জুলাই থেকে শুরু করে টানা ১৩ দিন অবস্থান ধর্মঘট পালন শেষে রোববার (৩০ জুলাই) থেকে অনশনে বসেন তারা।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৪২ জন অস্থায়ী কর্মচারী আছেন। তাদের দৈনিক ৪০০ টাকা হারে মজুরি দেওয়া হয়, যা দিয়ে বর্তমান সংসার চালানো খুবই কঠিন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে একাধিকবার প্রশাসনকে স্মারকলিপি ও মানববন্ধন করেন কর্মচারীরা। সবশেষ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে একই দাবিতে আমরণ অনশনে বসলে ছয় মাসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন হল, বিভাগ ও অফিসে নিয়োগের মৌখিক আশ্বাস দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ছয় মাস অতিবাহিত হলেও দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আবারও অবস্থান ধর্মঘটে বসেন কর্মচারীরা।

jagonews24

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শহীদ রফিক-জব্বার হলের একজন কর্মচারী বলেন, ‘চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানিয়ে আসছি। তারা বারবার আমাদের আশ্বাস দিচ্ছেন। তবে এবার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাবো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার হয় চাকরি হবে, নয়তো আমাদের এখানে মৃত্যু হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আবু হাসান বলেন, ‘চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হাতে। এ বিষয়ে ইউজিসির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের আলোচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্মচারীদের মধ্য থেকে ধাপে ধাপে চাকরি স্থায়ীকরণের অনুরোধ জানিয়েছে। ইউজিসির চেয়ারম্যান কয়েকটি পদ দেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।’

মাহবুব সরদার/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।