এক পলকেই সব শেষ হয়ে গেল স্নেহার
বাবা-মায়ের সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল আরুণিমা স্নেহা রায় (১২)। সে সিলেট স্কলার্স হোমে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। বাবা অরজিৎও ওই স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। মা সুমিতা সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে সিলেট শহরতলির খাদিমপাড়া ইউপির শাহপরান নিপবন এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাবা-মার সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল স্নেহা।
তাদের বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি এমসি কলেজ রোড সংলগ্ন মাদানীবাগ নামক এলাকায় আসামাত্র বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারের (সিলেট-গ-১১-১১৪৭) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন স্নেহার বাবা অরজিৎ। আর হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয় মা সুমিতা দাশের।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয় স্নেহা। তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে দুপুরের দিকে স্নেহার জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন তার মামা সিলেট ইউমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ময়ূখ চৌধুরী।
তিনি জানান, স্নেহা জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর থেকে তার বাবা-মাকে খুঁজছে। তবে আমরা এখনো তাকে কিছু বলিনি।
ছামির মাহমুদ/এমএএস/এবিএস