গাইবান্ধায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা


প্রকাশিত: ০৪:১৬ এএম, ২৭ জুন ২০১৬

গাইবান্ধায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে সব ধরনের পোশাক দোকানে দোকানে ঝুলছে। শহরের অভিজাত  বিপণিকেন্দ্রগুলোতে এখন ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। দাম একটু বেশি হলেও অনেক রাত পর্যন্ত পছন্দমতো কাপড় কিনছেন নারী পুরুষ। বিক্রি করতে পেরে বিক্রেতারাও অনেক খুশি।

গাইবান্ধা জেলা শহরের সালিমার সুপার মার্কেট, তরফদার ম্যানশন, পার্কভিউ সুপার মার্কেট, ইসলাম প্লাজা, পৌর মার্কেটসহ সব কটি মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

উপহার বিতানের দেবদাস রায় জানান, বাজারে পোশাকে যথেষ্ট বৈচিত্র্য রয়েছে। তবে তরুণী ও কিশোরীদের নজর কিরণমালা, মাহিয়া, আগুন পাখি নামের পোশাকের দিকে। এছাড়াও রয়েছে কুর্তি, লেহেঙ্গা, লাচ্ছি লেহেঙ্গা, দোপাট্টার দিকে।

বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের লেহেঙ্গা। সেগুলো ২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। অন্য পোশাকগুলোর দাম ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার ভেতরে। এছাড়া বিবাহিত ও অবিবাহিতা নারীরা কিনছেন বালুচরি, মনিপুরি, জামদানি শাড়ি। সেগুলো ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

বাচ্চা মেয়েরা ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পছন্দ করছে ফোর পিস জামা। তরুণদের আগ্রহ ভারতীয় ও বাংলাদেশি নানান ডিজাইনের পাঞ্জাবির ব্যাপারে। সেগুলো মিলছে ১২০০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে।

জুতা-স্যান্ডেলের দোকানে প্রচুর ভিড়। বাদ যায়নি কসমেটিকের দোকানও। টেইলার্স মাস্টাররা এখন অনেক ব্যস্ত। কাজের চাপে ইতোমধ্যে অনেক দর্জি অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে রেডিমেড কাপড়ের দোকানগুলোতেই গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি চলছে। ঈদের রাত পর্যন্ত এভাবে বিক্রি চলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা ।

এবারের ঈদে বাজারে আরও আছে চীনা, পাকিস্তানি শাড়ি, কাপড় ও থ্রিপিস। তবে এই সব শাড়ি কাপড়ের দাম নিম্ন আয়ের লোকদের নাগালের বাইরে থাকায় তাদের একমাত্র ভরসা দেশি ও গাউন মার্কেটের কাপড়।

শহরের কাচারীবাজার থান পট্টিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত তিনদিন থেকে নারী ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। ইন্ডিয়ান, চায়না, পাকিস্তানি গজ কাপড়, ছিট কাপড়, থ্রি-পিস, লোন, বাটিক, কাশ্মিরী, জর্জেট, অরগ্যান্ডি, নেট কাপড়, রাবেয়া, লিলেন জাতীয় বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পপলিন, ভয়েল কাপড়ও বিক্রি হচ্ছে। তবে দামও গতবারের চেয়ে অনেক বেশি।

অমিত দাশ/এসএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।