ঝিনাইদহে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে দর্জিরা


প্রকাশিত: ০৪:২২ এএম, ২৮ জুন ২০১৬

গর-র-র-র-র করে মেশিনের শব্দ। ঝিনাইদহের প্রতিটি দর্জি পাড়ায় চলছে মেশিনের লড়াই। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই লড়াই।

এবারের ঈদে রেডিমেট পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি পোশাকেরও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। পৌর শহরসহ উপজেলার দর্জিপাড়া বা গ্রামগঞ্জের ছোটখাটো টেইলার্সগুলোতে চলছে পাল­া দিয়ে পোশাক তৈরির ধুম।

রহিম টেইলার্সের মালিক রহিম হোসেনকে দেখা গেল, গলায় ফিতা আর হাতে কাঁচি নিয়ে কাপড় কাটাকাটিতেব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি জানান, দর্জিদের মুখে অপ্রয়োজনীয় কোনো কথা নেই। শুধু কাজ আর কাজ।

সরেজমিনে শহরের দর্জি পাড়ায় গিয়ে দেখা গেল, সকলের পাশেই তৈরি পোশাকের স্তুপ। কাটিং মাস্টারের মাপ অনুযায়ী সেলোয়ার, কামিজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্টসহ বাচ্চাদের পোশাক তৈরি করে সময় মতো বিতরণের বিরামহীন কাজ করছে দর্জিরা। অধিকাংশ টেইলার্সে চলছে অর্ডার নেয়ার প্রতিযোগিতা।

Jhenidah-tailor

কানিজ আফরোজা নামে এক ক্রেতা জানান, রেডিমেট কাপড়ে নতুনত্ব পাওয়া যায় না বলেই দর্জিবাড়ি বা টেইলার্সে সবাই ভিড় জমায়। মেয়েরা লেস লাগানো সেলোয়ার কামিজ, লাইলিন দিয়ে কাজ ও সাদামাটা পোশাকে এমব্রোডারির কাজ বেশি পছন্দ করছেন।

আলী ড্রেস মাের্টর মালিক আলী হোসেন জানান, ঈদকে সামনে রেখে সুঁই-সুতা কারিগররা দিনরাত পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত। অলিগলিতে ছড়িয়ে থাকা টেইলার্সগুলোর কারিগররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ঝিনাইদহ জেলা দর্জি শ্রমিক নেতা সাহেব আলী জানান, ঈদকে সামনে রেখে আমাদের কাজের চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। অর্ডারের কাপড়ও জমা হয়েছে অনেক।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।