রংপুরে বেড়েছে ডিম-মুরগির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশিত: ০৩:৩৫ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে ডিমের। তবে দাম কমেছে বিভিন্ন প্রকার ডালের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজি, মাছ-মাংস ও চালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বয়লার মুরগির দাম ১০/২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ১৭০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাকিস্তানি সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৭০-২৮০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৫০-২৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭০-২৮০ টাকা, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৫২০ টাকা কেজি দরে।

ধাপ বাজারের মুরগি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, পাইকারি বাজারে মুরগির আমদানি কমে গেছে। এ কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পোলট্রি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৩৮ টাকা দরে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১/২ টাকা বেশি।

বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ওই দামে। এছাড়া গত সপ্তাহের মতোই কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৫০-৬০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, মুলা ৩৫-৪০ টাকা, ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপির পিস ২৫-৩০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) আগের মতোই ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২০-২৫ টাকা, চিকন বেগুন ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, গোল বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৫০-৬০ টাকা, পটল ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, শিম ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, শসা ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, করলা আগের মতোই ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, লেবুর হালি ১৫-২০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৩০-৪০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৫০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতোই ১০০-১২০ টাকা, আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা, শুকনা মরিচ আগের মতো ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা হেলাল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। আপাতত দাম কমার সম্ভাবনা নেই।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু (পুরাতন) গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০ টাকা, বাজারে আসা নতুন কার্ডিনাল আলু বিক্রি হচ্ছে ২৬-৩০ টাকা, সাদা নতুন আলু ২০-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শিল আলু (নতুন) ৬৫-৭০ টাকা থেকে কমে ৬০-৬৫ টাকা, ক্যারেজ আলু (নতুন) ২৫-৩০ টাকা এবং ঝাউ আলু বড় সাইজের ৬৫-৭০ টাকা থেকে কমে ৬০-৬৫ টাকা এবং ছোট সাইজের ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫-২০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-২০০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) ১৫০-১৬০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, মুগডাল ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১২০-১৩০ টাকা থেকে কমে ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১১০-১২০ টাকা থেকে কমে ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ১০০-১১০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।