স্ত্রীর মরদেহ কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন স্বামী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
প্রকাশিত: ১০:০০ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে পুলিশ।

কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রাম পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা আল আমিন মন্ডলের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর নিখোঁজ হন। এরপর স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনার পরদিন (২০ ডিসেম্বর) নিখোঁজ গৃহবধূর ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

এ ঘটনা তদন্তে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলপনার নিখোঁজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে কালিয়া থানা পুলিশ আলপনার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। পরে আলপনার স্বামী স্বীকার করেন যে, তিনি তার স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে বাড়ির পাশে বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছেন। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে এদিন রাতে পুলিশ আলপনার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডি হওয়ার পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর নিহতের স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, তার স্ত্রীকে তিনি হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেছেন। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহটি বাড়ির পাশে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

হাফিজুল নিলু/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।