রংপুরে দাম বেড়েছে সবজি-মুরগির
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে লেবুসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে ডিমসহ মাছ-মাংসের দর।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০-১৮০ টাকা। এছাড়া পাকিস্তানি সোনালী মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৭০-২৮০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০-৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৫১০-৫৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৩৪-৪৫ টাকা।
মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আমির হোসেন বলেন, কয়েকদিন ধরে মুরগির আমদানি কমে গেছে। এ কারণে দাম একটু বাড়তি।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৪৫-৫০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটো ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা, ফুলকপি ২৫-৩০ টাকা, বাঁধাকপির পিস ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, কাঁচকলার হালি গত সপ্তাহের মতোই ২০-২৫ টাকা, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩০-৪০ টাকা, গোল বেগুন আগের মতো ৪০-৫০ টাক, শিম ৩০-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা, শসা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০-১২০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, লেবুর হাল ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩৫-৪০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৫০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতোই ১০০-১২০ টাকা, আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা, শুকনা মরিচ আগের মতো ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু (পুরাতন) গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০ টাকা, বাজারে আসা নতুন কার্ডিনাল আলুও বিক্রি হচ্ছে ২৫-২০ টাকা, সাদা নতুন আলু ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩৫-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু (নতুন) ৬০-৬৫ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা, ক্যারেজ আলু (নতুন) ২৫-৩০ টাকা থেকে কমে ২৫-২০ টাকা এবং বড় সাইজের ঝাউ আলু ৬০-৬৫ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা এবং ছোট সাইজের ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫-২০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০-২০০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) ১৫০-১৬০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, মুগডাল ১৬০-১৮০ টাকা থেকে কমে ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১২০-১৩০ টাকা থেকে কমে ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১১০-১২০ টাকা থেকে কমে ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ১০০-১১০ টাকা থেকে কমে ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জিতু কবীর/এমএন/এমএস