বিষ দিয়ে শ্বশুরের গরু-ছাগল-মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ জামাইয়ের বিরুদ্ধে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে এক ব্যক্তির পুকুরের মাছ, বিষ দিয়ে একটি গরু ও সাতটি ছাগল মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভুক্তভোগীর চার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার জন্য মেয়ে জামাইকে অভিযুক্ত করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী ওয়াসিম মিয়া তারাকান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পলাশকান্দা গ্রামের ওয়াসিম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ওয়াসিম মিয়া বলেন, ‌‘গরু- ছাগল ও মাছগুলোই ছিল আমার আয়ের উৎস। মঙ্গলবার দিনগত রাত ১২টার দিকে গোয়ালঘর ও পুকুর দেখে বাড়ির পাশে দোকানে বসে চা পান করি। পরে ২টার দিকে আবারও গোয়ালঘর ও পুকুর দেখে ঘুমাতে যাই। ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখি, একটি গরু ও সাত ছাগল নিস্তেজ অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। পরে বাড়ির লোকজনকে ডাকাডাকি করলে তারাও ছুটে এসে দেখেন, গরু ও ছাগলগুলো মরে পড়ে আছে। পরে দৌড়ে পুকুরের কাছে গিয়ে দেখি, মাছগুলোও মরে পানিতে ভেসে আছে।

তিনি বলেন, ‘এতে আমার চার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার ধারণা, আমার মেয়ের জামাই রাসেল আমার এই ক্ষতি করেছে।’

মেয়ে জামাই রাসেল কেন ক্ষতি করবে—জানতে চাইলে ওয়াসিম মিয়া বলেন, ‘গত দুই বছর ধরে মেয়েকে নিয়ে রাসেল আমার বাড়িতে বসবাস করছে। গত ঈদুল ফিতরের সময় তাকে মেয়েসহ তার বাবার বাড়িতে চলে যেতে বলি। তখন রাসেল বলে, আমি শম্ভুগঞ্জ এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকবো। পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেই। এ কারণেই রাসেল আমার গরু-ছাগল-মাছ বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে বলে ধারণা করছি।’

অভিযুক্ত রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আতোয়ার আলীর ছেলে বলে জানিয়েছেন ওয়াসিম মিয়া। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তানবীর আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।